1. manobchitra@gmail.com : news :
  2. altafbabu1@gmail.com : Satkhira Times : Satkhira Times
April 13, 2021, 2:25 pm

খুকৃবিতে মহান স্বাধীনতা দিবসের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন

  • আপডেট সময় Saturday, March 27, 2021

২৬ মার্চ ১৯৭১ সাল। মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস। বাংলাদেশের প্রাকৃতিক বৈচিত্রের ঋতুরাণী বসন্তের অগ্নিঝরা দিনটি বাঙালী জাতির এক অনবদ্য চিরস্মরণীয় দিন। এ বছর দিবসটির আরও ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এঁর জন্মশতবর্ষ ও বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা দিবসের সুবর্ণজয়ন্তী উদ্যাপন উপলক্ষে ঘোষিত মুজিব বর্ষ। দিবসটি আড়ম্বরপূর্ণভাবে উদ্যাপনের লক্ষ্যে খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুকৃবি) পক্ষ থেকে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ি স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়।

স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে স্বাস্থ্যবিধি মেনে খুকৃবি পরিবারের বর্ণাঢ্য আনন্দ র‌্যালি শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ শহীদুর রহমান খান এর পক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষকবৃন্দ খুলনা মহানগরীর গল্লামারীস্থ বধ্যভূমিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন, শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) ডাঃ খন্দকার মাজহারুল আনোয়ার (শাহাজান), বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সংগঠন নীল দলের পক্ষ থেকে আহবায়ক ডাঃ মোঃ আশিকুল আলম ও সদস্য সচিব ড. এম এ হান্নান, বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের পক্ষ থেকেও শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়। এছাড়াও বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পাসে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণী এবং দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন শেষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এঁর জন্মশতবর্ষ ও বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা দিবসের সুবর্ণজয়ন্তী উদ্যাপনের তাৎপর্য তুলে ধরে স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় চার নেতা, বীর মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক-সমর্থক, বিদেশি বন্ধুসহ ভাষা আন্দোলন ও মহান মুক্তিযুদ্ধে নিহত সকল শহীদদের আত্মার শান্তি কামনা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ শহীদুর রহমান খান তাঁর লিখিত বক্তৃতায় বলেন, ব্রিটিশ ঔপনিবেশক শাসন অবসানের পর জাতির

পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ‘৫২ এর ভাষা আন্দোলন, ‘৫৪ এর যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ‘৫৮ এর সামরিক শাসন বিরোধী আন্দোলন, ‘৬৬ এর ৬ দফা, ‘৬৯ এর গণঅভ্যূত্থান ও ১৯৭০ সালের ঐতিহাসিক নির্বাচনে সংগ্রামী সুদক্ষ নেতৃত্ব ও জয়ের মধ্য দিয়ে শেখ মুজিব হয়ে ওঠে বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা। বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামের প্রতিটি অধ্যায়ে বঙ্গবন্ধুর নাম চিরভাস্বর হয়ে আছে।

১৯৭১ সালের ৭ মার্চ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে তাঁর ঐতিহাসিক ভাষণটি ইউনেসকো বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে, যেখানে বঙ্গবন্ধু সমগ্র মুক্তিকামী বাঙালী জাতির উদ্দেশ্যে দীপ্ত কন্ঠে ঘোষণা দিয়েছিলেন ‘এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম; এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম’। উক্ত কালজয়ী ঘোষণার মধ্যে লুকিয়ে ছিল ২৬ শে মার্চ (স্বাধীনতার ঘোষণা) ও পরবর্তী ১৬ই ডিসেম্বর ১৯৭১-এ মহান বিজয় দিবসের শুভ সূচনা।

তিনি আরও বলেন, ঐতিহাসিক এই দিনে আমাদের অঙ্গীকার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এঁর স্বপ্ন ও মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতার লক্ষ্য অনুযায়ী সোনার বাংলা আমরা গড়বোই। সেদিন আর বেশি দূরে নয়। বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শি নেতৃত্বে বাংলাদেশ অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে। আমরা জেগে রইবো বঙ্গবন্ধু’র আদর্শ বুকে নিয়ে।

জেগে থাকবে মানুষ- প্রজন্মের পর প্রজন্ম- তাঁর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশে। স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর ও জাতির পিতার জন্ম শতবাষির্কীতে দেশ, গণতন্ত্র ও সরকারবিরোধী সকল ষড়যন্ত্র প্রতিহত করে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশের চলমান উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা রক্ষা এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য এই মাহেন্দ্রক্ষণে সকলকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালন করার উদাত্ত আহবান জানাই।(প্রেসবিজ্ঞপ্তি)

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2019 Breaking News
Theme Customized By BreakingNews