1. altafbabu1@gmail.com : news :
  2. altafbabu1@gmail.com : Satkhira Times : Satkhira Times
July 17, 2024, 1:56 am
Title :
সাতক্ষীরায় সংখ্যালঘু-সংখ্যাগুরু বলতে কিছু নেই, সকলেই সমান: এমপি আশু আন্দোলনের নামে মুক্তিযুদ্ধ অবমাননাকারীদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবি সন্তান কমান্ডের বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে ডিবি গার্লস হাইস্কুলে বিশেষ সভা সর্বজনীন পেনশন স্কিম বিষয়ে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত দেবহাটায় আরইআরএমপি প্রকল্পের নারীদের সঞ্চিত অর্থের চেক ও সনদপত্র বিতরণ দেবহাটায় সুদমুক্ত ঋনের চেক, হুইল চেয়ার ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ খুলনায় বৃক্ষমেলা শুরু তালা বাজার বণিক সমিতির সহ-সভাপতি রানাকে সাময়িক বহিষ্কার সাতক্ষীরার তালায় ডাকাত রিয়াজুল গ্রুপের প্রধান রিয়াজুল ইসলাম গ্রেপ্তার বসন্তপুর নদীবন্দর পরিদর্শন করলেন বিআইডব্লিউটি ও ভূ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা

দেবহাটায় ঋণ দেয়ার নামে অর্থ হাতিয়ে প্রতারণা, অভিযোগ দায়ের

  • আপডেট সময় Tuesday, August 30, 2022

দেবহাটা প্রতিনিধি : দেবহাটায় ঋণ দেয়ার নাম করে সঞ্চয় বাবদ জনপ্রতি ৫ থেকে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত হাতিয়ে নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে ফেয়ার বাংলাদেশ নামক একটি ভুইফোঁড় সমিতির বিরুদ্ধে।

ইতোমধ্যেই উপজেলার আষ্কারপুর গ্রামের নীরিহ ও অসহায় মানুষদের কাছ থেকে কয়েক লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে উধাও হয়েছে ওই সমিতির লোকজন। বর্তমানে ভুক্তভোগীদের রোশানলে পড়েছেন ওই সমিতির এজেন্ট হিসেবে পরিচিত আষ্কারপুর গ্রামের মৃত বাহার আলীর ছেলে নওসের আলী ও তার স্ত্রী সুফিয়া খাতুন।

এনিয়ে সোমবার আমজাদ হোসেন নামের একজন ভুক্তভোগী নওশের আলী ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে দেবহাটা থানায় অর্থ আত্মসাত ও প্রতারণার অভিযোগ এনে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তিনি আষ্কারপুর গ্রামের মোহর আলী গাজীর ছেলে।

আমজাদ হোসেনের লিখিত অভিযোগে জানা গেছে, একই গ্রামের বাসিন্দা হওয়ায় অভিযুক্ত নওসের আলী ও তার স্ত্রী সুফিয়া খাতুন ভুক্তভোগীদের সকলের পরিচিত ছিলেন। প্রায় মাসখানেক আগে ওই দম্পতি ফেয়ার বাংলাদেশ নামের একটি সমিতি থেকে আমজাদ সহ ওই গ্রামের বাসিন্দাদের রাতারাতি লক্ষাধিক টাকা করে ঋন পাইয়ে দেয়ার কথা বলে ৬ হাজার থেকে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত সঞ্চয় জমা দিতে বলেন।

নওসের ও তার স্ত্রী সুফিয়ার কথা বিশ্বাস করে আমজাদ হোসেন ১৫ হাজার ৫ শত টাকা, শওকত আলী ১০ হাজার ৫শত টাকা, আশরাফুল ইসলাম ২৫ হাজার ৫শত টাকা, ফজর আলী ১০ হাজার টাকা, ইউনুস গাজী ২০ হাজার ৫শত টাকা, আব্দুল হাকিম ৬ হাজার টাকা, রুহুল আমিন ৫ হাজার ৫শত টাকাসহ গ্রামের আরও অনেক বাসিন্দারা নওসের ও সুফিয়ার হাতে টাকা তুলে দেন।

এরপর থেকে ঋন না দিয়ে একের পর এক তালবাহানা শুরু করে নওসের ও সুফিয়া। কিছুদিন পর ওই সমিতি রাতারাতি উধাও হয়ে গেছে বলে নওসের ও সুফিয়া ভুক্তভোগীদের জানিয়ে দেন। পরবর্তীদের ভুক্তভোগীরা বিষয়টি নিয়ে অভিযুক্তদের সাথে কথা বলতে গেলে ভুক্তভোগীদের সাথে দূর্ব্যবহার শুরু করে নওসের ও তার স্ত্রী সুফিয়া খাতুন। শেষমেষ কোন উপায়ন্তু না পেয়ে সোমবার থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ভুক্তভোগীরা।

দেবহাটা থানার ওসি শেখ ওবায়দুল্লাহ বলেন, ভুক্তভোগীরা এসংক্রান্তে লিখিত অভিযোগ করেছেন, তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান ওসি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2021 satkhiratimes24.com
Theme Customized By BreakingNews