1. altafbabu1@gmail.com : news :
  2. altafbabu1@gmail.com : Satkhira Times : Satkhira Times
May 26, 2024, 1:58 pm
Title :
জনগণের সাথে বেঈমানী করবোনা- গোলাম মোরশেদ জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের নির্বাচনে নাসের-কবির-শাহজাহান পরিষদের প্যানেলের পরিচিতি সভা বিনোদনের মাধ্যমে সুস্থ সমাজ গড়তে ইভটিজিং, সন্ত্রাস ও মাদকরোধ করতে হবে : এসপি মুহাম্মদ মতিউর রহমান সিদ্দিকী কাজী নজরুল ইসলাম বাঙালির কবি, মানুষের হৃদয়ের কবি -মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক সড়কে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিনেরপোতায় মোটরযানের উপর মোবাইল কোর্ট   কলারোয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় ট্রলি চালক শাওন নিহত   সাতক্ষীরায় ঢাকা টাইমস-এর এক যুগে পদার্পণ অনুষ্ঠান উদযাপিত বিশ্বকবি রবী ঠাকুরের ১৬৩তম এবং জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম এর ১২৫তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন ঘোনায় ঘোড়া প্রতিকে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এ্যাড. সোহাগের নির্বাচনী জনসভা ২ দিনব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তন ও অধিপরামর্শ বিষয়ে দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ

মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় সাতক্ষীরা জামায়াতের খালেক মণ্ডল-রোকনুজ্জামান রায় বৃহস্পতিবার

  • আপডেট সময় Tuesday, March 22, 2022

ডেস্ক রিপোর্ট: মুক্তিযুদ্ধকালে সংঘটিত হত্যা, গণহত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের আমির ও সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল খালেক মণ্ডলসহ দুজনের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণার জন্য আগামী বৃহস্পতিবার (২৪ মার্চ) দিন ঠিক করেছেন ট্রাইব্যুনাল। মামলার অপর আসামী হলেন খান রোকনুজ্জামান।

গত ১১ নভেম্বর এই মামলায় প্রসিকিউশন ও আসামি পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান ও বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মামলাটি রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমাণ করে আদেশ দেন। ট্রাইব্যুনালের অপর সদস্যরা হলেন বিচারপতি মো. আবু আহমেদ জমাদার ও কেএম হাফিজুল আলম।

তারই ধারাবাহিকতায় আজ রায়ের দিন ঠিক করা হয়। রায়ের বিষয়টি প্রসিকিউটর রেজিয়া সুলতানা চমন  নিশ্চিত করেছেন।

ওইদিন আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর রেজিয়া সুলতানা চমন, সঙ্গে ছিলেন আরেক প্রসিকিউটর মো. মুখলেসুর রহমান বাদল। আসামিপক্ষের শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী আব্দুস সুবহান তরফদার ও গাজী এইচএম তামিম।

বাকি দুই আসামির মধ্যে সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের আমির ও সাতক্ষীরা সদর আসনের সাবেক এমপি আব্দুল খালেক মণ্ডলকে তদন্তের সময়ই গ্রেফতার করা হয়। আর খান রোকনুজ্জামান এখনো পলাতক।

মুক্তিযুদ্ধের সময় সাতক্ষীরা এলাকায় হত্যা, ধর্ষণ, অপহরণ, আটকে রেখে নির্যাতনের মতো মানবতাবিরোধী অপরাধের ছয়টি অভিযোগ আনা হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। চূড়ান্ত যুক্তিতর্কে প্রসিকিউশন দুই আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড চেয়েছে। আর আসামি পক্ষ অভিযোগ থেকে আসামিদের খালাস চেয়েছে।

প্রসিকিউটর রেজিয়া সুলতানা চমন আরও বলেন, মামলাটি ২০১৫ সালের। পরে ২০১৮ সালের ৫ মার্চ অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করেন ট্রাইব্যুনাল।

চার আসামির মধ্যে আব্দুল্লাহ আল বাকী এবং জহিরুল ইসলাম ওরফে টিক্কা খান নামের দুই আসামি বিচারাধীন অবস্থায় মারা যান। প্রসিকিউটর রেজিয়া সুলতানা চমন জানান, ২০১৭ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়, ফর্মাল চার্জ দাখিল হয় ওই বছরের ১৯ মার্চ। একই বছরের ৯ মে অভিযোগ আমলে নেন আদালত। ২০১৮ সালের ৫ মার্চ অভিযোগ গঠন হয়, ১৫ মার্চ থেকে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু। ২০১৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট ১৭ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ হয় এবং মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু হয় ওই বছরের ৩ নভেম্বর থেকে। দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়ায় আজ (১১ নভেম্বর) রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষ হয়।

এ মামলার চার আসামির মধ্যে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার খলিলনগর গ্রামের খালেক মণ্ডল (৭২) গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আছেন। মামলার অপর দুই আসামি জহিরুল ইসলাম ওরফে টিক্কা খান (৬৫) গ্রেফতার না হলেও পলাতক অবস্থায় মারা যান আর গ্রেফতারের পর জামিনে থাকা অবস্থায় মারা যান বুলারটি গ্রামের এম আবদুল্লাহ আল বাকি (১০২)।

এর আগে ২০১৮ সালের ৫ মার্চ আব্দুল খালেক মণ্ডলসহ চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। অভিযোগ গঠনকালে মুক্তিযুদ্ধকালীন আটক করে নির্যাতন, হত্যা ও ধর্ষণের ঘটনায় আসামিদের বিরুদ্ধে সাতটি অভিযোগ আমলে নেন আদালত। এর মধ্যে রয়েছে ৬ জনকে হত্যা, ২ জনকে ধর্ষণ, ১৪ জনকে শারীরিক নির্যাতন। পরে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে জামা দেওয়া ছয়টি অভিযোগ গঠন করা হয়।

২০১৮ সালের ১৫ এপ্রিল সূচনা বক্তব্য এবং সাক্ষ্যগ্রহণের মাধ্যমে এ মামলার বিচারকাজ শুরু হয়। দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়ায় আজ মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়। এর আগে ২০১৭ সালের ১৯ মার্চ এ মামলায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল হয়।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে রাজাকার বাহিনী গঠন করে এর নেতৃত্ব দেন খালেক মণ্ডল। এরপর অন্য আসামিদের নিয়ে তৎকালীন সাতক্ষীরা সদর মহকুমা এলাকায় এসব মানবতাবিরোধী অপরাধ করেন।

২০১৫ সালের ১৬ জুন ভোরে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার খলিলনগর মহিলা মাদরাসায় বৈঠকের সময় খালেক মণ্ডলকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ওই বছরের ২৫ অগাস্ট তার বিরুদ্ধে সাতক্ষীরায় হওয়া মানবতাবিরোধী অপরাধের তিনটি মামলার মধ্যে শহীদ মোস্তফা গাজী হত্যা মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।

শিমুলবাড়িয়া গ্রামের রুস্তম আলীসহ পাঁচজনকে হত্যার অভিযোগে ২০০৯ সালের ২ জুলাই খালেক মণ্ডলের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন শহীদ রুস্তম আলীর ছেলে নজরুল ইসলাম গাজী।

এ মামলার চার আসামির বিরুদ্ধে ২০১৫ সালের ৭ আগস্ট থেকে তদন্ত শুরু করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। তদন্ত শেষ হয় ২০১৭ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি। ওই বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি চার আসামির বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ হয়।

এ মামলায় তদন্তকারী কর্মকর্তা ও জব্দ তালিকার সাক্ষীসহ মোট ৬০ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে। তবে আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তাসহ (আইও) ১৭ জন সাক্ষী তাদের জবানবন্দি পেশ করেন।

আসামিদের বিরুদ্ধে সাতটি অভিযোগ আনা হলেও প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে ট্রাইব্যুনালে ছয়টি অভিযোগ উপস্থাপন করা হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2021 satkhiratimes24.com
Theme Customized By BreakingNews