1. altafbabu1@gmail.com : news :
  2. altafbabu1@gmail.com : Satkhira Times : Satkhira Times
September 20, 2021, 11:15 am
Title :
রাজনীতির অতিথি পাখিদেরকে ভোট না দিয়ে ত্যাগী নেতাদেরকে ভোট দেয়ার আহ্বান তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রীর সাতক্ষীরা জেলা ভূমিহীন সমিতির জরুরি সভা : দেবহাটা উপজেলা ভূমিহীন সমিতির কমিটি বিলুপ্তি সাতক্ষীরা জেলা ছাত্র মৈত্রীর উদ্যোগে শহীদ রিমু’র ২৮ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত কলারোয়া উপজেলায় ১০ ইউপি নির্বাচনে ৯১টি কেন্দ্রই গুরুত্বপূর্ণ ! মুক্তিযোদ্ধারা চিরঞ্জীব হয়ে থাকবে-মেয়র দৃষ্টিপাত সম্পাদকের স্ত্রীর মৃত্যুতে দেবহাটা প্রেসক্লাবের শোক দেবহাটা ইজিবাইক মালিক ও চালক সমিতির শুভেচ্ছা বিনিময় কলারোয়ায় ১০ ইউপি নির্বাচনে আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক ব্রিফিং ও নির্বাচনী সামগ্রী প্রদান খুলনা জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত রাত পেরুলেই সাতক্ষীরার তালা ও কলারোয়ায় ইউপি নির্বাচন : ভোট হবে উৎসবমুখর

মার্কিনদের কষ্টে রেখেই গলফ খেলছেন ট্রাম্প

  • আপডেট সময় Friday, December 25, 2020

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : কোটি মানুষকে আর্থিক সংকটে রেখে ২৩ ডিসেম্বর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প বড়দিনের ছুটি কাটাতে ফ্লোরিডার উদ্দেশে হোয়াইট হাউস ছাড়েন।

বড়দিন সামনে রেখেই প্রণোদনা ও সরকারি ব্যয়-সংক্রান্ত বিলে সই না করে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ছুটি কাটাতে চলে গেছেন। বড়দিন উদ্‌যাপন করছেন নিজের মতো করে। আর এতে অবশ্যই রয়েছে গলফ খেলার আমেজ। এদিকে আর্থিক সংকটে থাকা সাধারণ মানুষের জীবনে উৎসবের আগমন তাদের কষ্ট আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। অথচ সেদিকে ভ্রুক্ষেপ নেই প্রেসিডেন্টের।

করোনা মহামারিতে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য খাতের সঙ্গে অর্থনীতিও ভেঙে পড়েছে লাখ লাখ ক্ষুদ্র ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়েছে। কোটি মানুষ কাজ হারিয়েছে। হাজার হাজার মাঝারি ও বড় প্রতিষ্ঠান দেউলিয়া হয়েছে। এর মধ্যে এমনকি শতবর্ষী প্রতিষ্ঠানও রয়েছে। ক্ষুধা এখন অনেক মার্কিনের জন্যই বাস্তবতা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বহু মার্কিন এই করোনাকালে জীবনে প্রথমবারের মতো সরকারি খাদ্য সহায়তার লাইনে দাঁড়াতে বাধ্য হয়েছেন। এই যখন বাস্তবতা, তখন ট্রাম্প প্রণোদনা ও সরকারি ব্যয়ের বিলে সই না করেই ছুটিতে গেলেন।

ছুটিতে যাওয়ার আগে নিজের ঘনিষ্ঠ দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের অপরাধ থেকে ক্ষমা করলেন ট্রাম্প। সামরিক শাসন জারি করে নতুন নির্বাচন দেওয়া যায় কিনা, তা নিয়ে এই ক্ষমাপ্রাপ্ত অপরাধীদের সঙ্গেই আবার বৈঠক করলেন। শুধু ট্রাম্প কেন, আরও অনেক রাজনীতিকই এখন হতাশাজনক আচরণ করছেন। বয়সে তরুণ ও সুস্বাস্থ্যের অধিকারী অনেকে জনগণকে টিকা নিতে সচেতন করার অজুহাতে নিজেরা প্রথম ধাপেই টিকা নিতে শুরু করলেন। অথচ বহু স্বাস্থ্যকর্মী এখনো টিকা পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন বলে জানাচ্ছে মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলো।

সবচেয়ে বড় তামাশাটি শুরু হয়েছে করোনা প্রণোদনা প্যাকেজ নিয়ে। দ্বিতীয় এই প্যাকেজ পাস নিয়ে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাটরা তর্ক করেছেন দীর্ঘ দিন। মাসের পর মাস এই বিল ঝুলে ছিল। শেষ মুহূর্তে এসে তড়িঘড়ি করে যাও বিলটি পাস হলো, তাও সই করলেন না প্রেসিডেন্ট।

সিএনএন জানায়, প্রেসিডেন্টের টুইটে দেওয়া ভিডিও এক বড় সংকটের জন্ম দিয়েছে। ওই ভিডিওতে তিনি বেকারদের ভাতা হিসেবে এককালীন ২ হাজার ডলার করে দেওয়ার কথা বলেন। প্রণোদনার পরিমাণ বাড়ানোর দাবি জানিয়ে আসা ডেমোক্র্যাটরা বিষয়টি লুফে নেন। এ নিয়ে প্রস্তাব দিলে তা ২৪ ডিসেম্বর আবার খারিজ করে দেন রিপাবলিকানরা। ফলে ট্রাম্পের ওই একটি প্রস্তাবের মধ্য দিয়ে প্রণোদনা নিয়ে নতুন করে তর্কের জন্ম হলো, যা পুরো বিষয়টিকেই অনিশ্চিত করে তুলেছে।

কথা হলো ট্রাম্প এই কাজটি কেন করছেন? উত্তর সহজ। রিপাবলিকান সিনেটরদের অনেকেই মৌখিকভাবে নব নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট বাইডেনকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। অনেকে কিছু না বললেও ট্রাম্পের পরাজয় মেনে নিয়েছেন। সিএনএন বলছে, রিপাবলিকান নেতাদের এই অবস্থানই ক্ষুব্ধ করেছে ট্রাম্পকে। তিনি এক হাত নিতে চাইছেন। এ কারণেই সিনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা মিচ ম্যাককনেলের আহ্বান সত্ত্বেও তিনি প্রণোদনা ও সরকারি ব্যয়-সংক্রান্ত বিলে সই করেননি। এ সম্পর্কিত একটি ইঙ্গিতও তিনি বড়দিনের দিন মার-এ-লাগোতে গলফ খেলে ফিরে দেওয়া এক টুইটে দিয়েছেন।

সিএনএন জানায়, ছুটি থেকে ফিরে সরকারি ব্যয়-সংক্রান্ত বিলে ট্রাম্প সই না করলে ফেডারেল সরকারের আংশিক শাটডাউন হবে আগামী সোমবার নাগাদ। কংগ্রেস চাইলে এই পরিস্থিতি অন্তর্বর্তীকালীন কিছু পদক্ষেপ নিতে পারে। কিন্তু চলতি মাসেই কংগ্রেসকে এ ধরনের চারটি পদক্ষেপ নিতে হয়েছে।

ট্রাম্প নিঃসন্দেহে রাজনৈতিক ময়দানে পরাজয়ের কারণেই এমন আচরণ করছেন। কিন্তু তাঁর এ আচরণে রাজনীতিকেরা কিন্তু ভুক্তভোগী হচ্ছেন না। বরং তাঁরা বেশ ভালোই আছেন। বিপাকে পড়ছে সাধারণ মানুষ, যাদের অনেকেরই এবারের বড়দিনে ক্ষুধার্ত থাকতে হচ্ছে হয়তো। রিপাবলিকানরা যখন বুঝতে চেষ্টা করছেন, ট্রাম্প আদতে কী চান, তখন এই রোববারের পর ১ কোটি ২০ লাখ বেকার মার্কিনের প্রাপ্য বেকারভাতা বন্ধ হয়ে যাবে। ১ জানুয়ারির আগে প্রণোদনা প্যাকেজ সই না হলে লাখো ভাড়াটিয়াকে রীতিমতো উদ্বাস্তু হতে হবে। সবচেয়ে বড় কথা হলো কোটি কোটি মানুষ এরই মধ্যে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে গেছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2021 satkhiratimes24.com
Theme Customized By BreakingNews