1. altafbabu1@gmail.com : news :
  2. altafbabu1@gmail.com : Satkhira Times : Satkhira Times
July 17, 2024, 2:47 am
Title :
সাতক্ষীরায় সংখ্যালঘু-সংখ্যাগুরু বলতে কিছু নেই, সকলেই সমান: এমপি আশু আন্দোলনের নামে মুক্তিযুদ্ধ অবমাননাকারীদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবি সন্তান কমান্ডের বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে ডিবি গার্লস হাইস্কুলে বিশেষ সভা সর্বজনীন পেনশন স্কিম বিষয়ে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত দেবহাটায় আরইআরএমপি প্রকল্পের নারীদের সঞ্চিত অর্থের চেক ও সনদপত্র বিতরণ দেবহাটায় সুদমুক্ত ঋনের চেক, হুইল চেয়ার ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ খুলনায় বৃক্ষমেলা শুরু তালা বাজার বণিক সমিতির সহ-সভাপতি রানাকে সাময়িক বহিষ্কার সাতক্ষীরার তালায় ডাকাত রিয়াজুল গ্রুপের প্রধান রিয়াজুল ইসলাম গ্রেপ্তার বসন্তপুর নদীবন্দর পরিদর্শন করলেন বিআইডব্লিউটি ও ভূ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা

সদরের ব্রহ্মরাজপুরে চায়ের দোকানে জুয়ার আসর: পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা

  • আপডেট সময় Saturday, September 10, 2022

স্টাফ রিপোর্টার : সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর বাজারের সাহেববাড়ির মোড়ে একটি চায়ের দোকানে চলছে কেরাম বোর্ডের আড়ালে জুয়ার আসর। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলছে জুয়ার আসর। এতে সর্বশান্ত হচ্ছে স্থানীয় উঠতি বয়সী যুবকরা।

ফলে জুয়ার টাকা সংগ্রহ করতে গিয়ে ওই যুবকরা পরিবারে ও সমাজে অশান্তির সৃষ্টি করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘঠছে চুরি ছিনতাইয়ের মতো অপরাধ। এলাকার অভিভাবকরা বিষয়টি নিয়ে রীতিমতো উদ্বিগ্ন।

এলাকাবাসি জানান, ব্রহ্মরাজপুর গ্রামের নিতাই অধিকারীর ছেলে নেপাল অধিকিরী তার চায়ের দোকানে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কেরাম বোর্ডের আসরে জুয়া আড্ডা বসায়।

এলাকার স্কুল কলেজ পড়ুয়া ছাত্রসহ উঠতি বয়সী তরুণরাই জুয়ার আড্ডায় অংশ নেয়। এতে একদিকে তাদের কোমলমতি সন্তানদের লেখাপড়া ধ্বংস হচ্ছে, অন্যদিকে আইন-শৃংখলার অবনতি হচ্ছে। তারা এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

তারা আরও জানান, একটি জুয়ার বোর্ডই এলাকায় অশান্তির অন্যতম কারণ। জুয়ার আস্তানায় যারা অংশ নেয় তারা বখাটে বনে গেছে। প্রতিবাদ করতে গেলেই হেনস্থা হতে হচ্ছে। বখাটের আস্তানায় পরিণত হয়েছে ওই চায়ের দোকানটি। এলাকাবাসি এ ব্যাপারে পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এ ব্যাপারে চা দোকানের মালিক গণমাধ্যমের সাথে কোন কথা বলতে রাজি হননি। তবে তিনি বলেন, চা বেচি। খরিদ্দারদের বিনোদনের জন্য কেরামবোর্ড চালাই। বোর্ড প্রতি কিছু টাকা পাই যা দিয়ে সংসার নির্বাহ করি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2021 satkhiratimes24.com
Theme Customized By BreakingNews