1. altafbabu1@gmail.com : news :
  2. altafbabu1@gmail.com : Satkhira Times : Satkhira Times
May 12, 2021, 8:30 pm
Title :
মেট্রোরেলের নির্মাণ কাজের সার্বিক গড় অগ্রগতি ৬৩ দশমিক ২৬ শতাংশ -সেতুমন্ত্রী সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের উদ্যোগে বিভিন্ন সংগঠনের মাঝে আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে অসহায় মানুষের মাঝে সরকারি ত্রাণ বিতরণ রাতের আঁধারে বাড়ি বাড়ি খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছে সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগ মাটিরাঙ্গায় সেনাবাহিনীর ঈদ সহায়তা পেল শতাধিক পরিবার সাতক্ষীরায় ১২০ পরিবারের মাঝে মুরগি বিতরণ করলেন স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা বাবু খান কলারোয়ায় আনসার ভিডিপি সদস্যদের মাঝে ঈদ শুভেচ্ছা ও মাস্ক বিতরণ বিকাশে ভুল নাম্বারে চলে যাওয়া টাকা উদ্ধার করে ফেরত দিলেন সাতক্ষীরা থানা পুলিশ দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র-তৎপরতা বাড়াতেই খালেদা জিয়াকে বিদেশ নিতে চেয়েছিল বিএনপি —তথ্যমন্ত্রী সাতক্ষীরায় শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদ পৌর ৯ নং ওয়ার্ডের ইফতার মাহফিল

সাতক্ষীরা বড়বাজারের ১৩জন ডিম ব্যবসায়ীকে জিম্মি করে অর্থ আদায়ের অভিযোগ ইজারাদারের বিরুদ্ধে

  • আপডেট সময় Wednesday, April 28, 2021

স্টাফ রিপোর্টার : সাতক্ষীরা বড় বাজারে খাজনা আদায়ের নামে ডিম ব্যবসায়ীদের নিকট থেকে অবৈধ ভাবে অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। গত ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখ থেকে বাজারের ডিম ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে খাজনার নাম করে জোর করে অর্থ আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে ব্যবসায়ীরা।

অবৈধভাবে অর্থ আদায়ের ব্যাপারে ডিম ব্যবসায়ীরা জানিয়েছে, সাতক্ষীরা পৌর মেয়রের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়ে প্রতিকার চাইতে গেলে লাঞ্ছিত হয়েছেন ডিম ব্যবসায়ী ওজিয়ার রহমান খোকন। সর্বশেষ প্রতিকার চেয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করেছেন বড়বাজারের ১৩জন ডিম ব্যবসায়ী।

ডিম ব্যবসায়ী ওজিয়ার রহমান খোকন, ইদ্রিস আলী ও মাহবুবুর রহমান জানিয়েছে , স্থানীয় কাউন্সিলর কাজী ফিরোজ হাসানের শেল্টারে থেকে ইজারাদার শেখ ফিরোজ আহমেদ রানা তার দলবল নিয়ে হুমকি ধামকি দিয়ে টোল আদায়ের নামে অবৈধ ভাবে জোরকরে অর্থ আদায় করছে আমাদের কাছ থেকে।

তারা নিয়ম বহির্ভূত ভাবে বাইরের খামারীদের ডিম বোঝাই ভ্যান-পিকআপ রাস্তায় আটকে এক কুড়ি ডিম প্রতি দুই টাকা হারে টোল আদায় করছে। পাশাপাশি বাইরের মার্কেট থেকে বড় বাজারের ১৩ জন ব্যবসায়ী ডিম ক্রয় করে বহন করে আনলে রাস্তার ওপরে পরিবহন আটকে রেখে মারধোর করার হুমকি দিয়ে ২টাকা কুড়ি প্রতি টোল আদায় করছে গত পহেলা বৈশাখ থেকে এ পর্যন্ত ইজারাদার চল্লিশহাজারের মত টাকা ইজারার নামে হাতিয়ে নিয়েছে বলে দাবি করেন ওই ব্যবসায়ীরা।

বিষয়টি নিয়ে তারা পৌর মেয়রের কাছে লিখিতভাবে আবেদন করলে তিনি মৌখিক ভাবে অফিসের স্টাফ পিন্টুকে ডেকে নির্দেশ দেন যেন কোন ভাবেই বিগত ১০ বছরের টোলের রেটের বাইরে ডিম ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ইজারাদার টাকা না নেন।

এও বলেন, এর বর্তায় ঘটলে ইজারা বাতিল করা হবে। সাথে সাথে তিনি ব্যবসায়ীদের বলেন, স্থানীয় কাউন্সিলর কাজী ফিরোজ হোসানের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে। পৌরসভায় উপস্থিত থাকা কাউন্সিলর কাজী ফিরোজ হোসানের সঙ্গে কথা বলতে গেলে তিনি রেগে গিয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা কাটাকাটি শুরু করেন। এক পর্যায়ে মারতেও উদ্যোত হন তিনি।

এ ঘটনার পর তারা জেলা প্রশাসকের কাছে ১৩ জন ব্যবসায়ীর স্বাক্ষরিত একটি আবেদন করেন। ওই আবেদনে ব্যবসায়ীরা দাবী করেন তারা সকলেই ব্যক্তি মালিকানাধীন মার্কেটের দোকান এ্যাডভান্স দিয়ে ভাড়া নিয়ে সেখানে ডিমের ব্যবসা করেন। তারা কোনভাবেই পেরিফেরিভুক্ত জায়গায় বসে ব্যবসা করেন না। ট্রেড লাইসেন্স করে পৌরকর পরিশোধ করে তারা ব্যবসা করেন। তারা বাইরের খামারীদের নিকট থেকে ডিম ক্রয় করে এনে তা দোকানে বসে বিক্রি করেন।

এ ক্ষেত্রে কুড়ি প্রতি তাদের নিকট থেকে ২ টাকা হারে আদায় করছে। টোল আদায়ের চার্টের ৪৩নং ক্রমিকে আমদানী ও রাপ্তানীর ক্ষেত্রে ২ টাকা হারে কুড়িতে টোল আদায়ের কথা বলা হয়েছে। কিন্তু ডিম ব্যবসায়ীরা ডিম আমদানী-রপ্তানী করেননা। একই কলমে খুচরা দোকানী প্রতি ৫ টাকা হারে আদায় করার কথা বলা হয়েছে। অন্য দিকে বড়বাজারে চাল ব্যাবসায়ীর ও মালিকানা জায়গায় ব্যাবসা করে তাদের কাছথেকে টোল নিচ্ছে না ইজারাদার। তবে কেনো আমাদের বেশি টাকা টোল দিতে হবে, বলেন ব্যাবসায়ীরা।

ডিম ব্যবসায়ী ওজিয়ার রহমান খোকন জানান, সম্প্রতি তার ভ্যানভর্তি ৫০০০ ডিম আটকে রাখে টোল আদায়কারীরা। তাদের চাহিদামত অবৈধ টোলের টাকা দিতে না চাইলে তারা মারধোর করতে উদ্যত হয়। পরে স্থানীয় থানায় অভিযোগ করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ডিম উদ্ধার করে দেয়।

তিনি অভিযোগ করে আরো বলেন, ৩ লক্ষ টাকা জামানত দিয়ে দোকান বরাদ্দ নিয়ে ব্যাবসা করছি। প্রতি মাসে দোকান ঘর ভাড়া দিতে হয় ৬ হাজার টাকা। পহেলা বৈশাখ থেকে বাজারে ডিম ঢুকলেই ইজারাদার কে দিতে হচ্ছে ১০০ টি জন্য ২০ টাকা। বাজারে ডিম ঢুকলে দিতে হয় ১০ টাকা, বাজার থেকে ডিম বেরানোর সময় দিতে হয় আরও ১০ টাকা।

তিনি বলেন, প্রতিটি ডিমের ক্রয়মূল্য ৫ টাকা ২০ পয়সা। বিক্রি করি ৫ টাকা ৫০ পয়সা দামে। দিন ১০ হাজারের মতো ডিম বিক্রি করি লাভ হয় ১ হাজার টাকা। এখন করেনার লকডাউনে বড়বাজারে ডিমের ব্যাবসায় মন্দা চলছে। স্বল্প লাভে কোনোরকমে বাজারে টিকে আছি আমরা। খাজনার নামে অবৈধভাবে কথিত ইজারাদার শেখ ফিরবো আহম্মেদ রানা আমাদের কাছ থেকে জোরকরে অর্থ আদায় করছে। এর প্রতিকারে জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন বড়বাজারের ডিম ব্যবসায়ীরা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2021 satkhiratimes24.com
Theme Customized By BreakingNews