1. altafbabu1@gmail.com : news :
  2. altafbabu1@gmail.com : Satkhira Times : Satkhira Times
July 17, 2024, 2:05 am
Title :
সাতক্ষীরায় সংখ্যালঘু-সংখ্যাগুরু বলতে কিছু নেই, সকলেই সমান: এমপি আশু আন্দোলনের নামে মুক্তিযুদ্ধ অবমাননাকারীদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবি সন্তান কমান্ডের বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে ডিবি গার্লস হাইস্কুলে বিশেষ সভা সর্বজনীন পেনশন স্কিম বিষয়ে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত দেবহাটায় আরইআরএমপি প্রকল্পের নারীদের সঞ্চিত অর্থের চেক ও সনদপত্র বিতরণ দেবহাটায় সুদমুক্ত ঋনের চেক, হুইল চেয়ার ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ খুলনায় বৃক্ষমেলা শুরু তালা বাজার বণিক সমিতির সহ-সভাপতি রানাকে সাময়িক বহিষ্কার সাতক্ষীরার তালায় ডাকাত রিয়াজুল গ্রুপের প্রধান রিয়াজুল ইসলাম গ্রেপ্তার বসন্তপুর নদীবন্দর পরিদর্শন করলেন বিআইডব্লিউটি ও ভূ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা

স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে হাজারো শিক্ষার্থী, পলাশপোলে খোলা ডাস্টবিন সরিয়ে নেওয়ার দাবি

  • আপডেট সময় Tuesday, September 13, 2022
Exif_JPEG_420

আলতাফ হোসেন বাবু : টিপটিপ বৃষ্টি। রাস্তার খানাখন্দে জমেছে জল। পয়:নিষ্কাশনের ড্রেনে পানি নাকি আলকাতরা তা সহজে বোঝা যায় না। রাস্তার পাশে নোংরা-আবর্জনার স্তুপ। একদল কুকুর সেই স্তুপ ঘাটাঘাটি করে খাবারের অনুসন্ধানে নেমেছে।

ড্রেনের পচা পানি আর নোংরা-আবর্জনার স্তুপ থেকে যে বিকট গন্ধ আসছিল তা নাকে প্রবেশ করতেই নাসারন্ধ্র জ্বলে ওঠে। সেই জ্বলনে চোখে জলও আসে। চোখে জল আর রাস্তায় জল নিয়েই চলতেই হয় হাজারো শিক্ষার্থীসহ এলাকাবাসিকে। সাতক্ষীরা পৌরসভার পলাশপোল ৮নং ওয়ার্ডের নবজীবন স্কুল সংলগ্ন এলাকার দৃশ্য এটি।

এখানে নোংরা-ময়লা ফেলার ডাস্টবিনটি আর চোখে পড়েনা। তবে দেখা যায় নোংরা-ময়লার স্তুপ। পানি দূষণ, বায়ু দূষণ আর পরিবেশ দূষণ মিলে এক বিষাক্ত দূষণের কবলে পড়েছে এলাকার মানুষ। ফলে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে স্কুলের কোমলমতি শিশু থেকে শুরু করে সবাই। পৌর কর্তৃপক্ষের কাছে অভিভাবকদের দাবি অতি দ্রুত ডাস্টবিনটি সরিয়ে অন্যত্র স্থাপন করা। ডাস্টবিনটি স্কুলের সামনে অবস্থানের কারণে স্কুলে যাতায়াতের পথে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে স্কুলে অধ্যয়নরত প্রায় ৪০০ শিশু শিক্ষার্থী।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, সাতক্ষীরা পৌরসভার পলাশপোল ৮নং ওয়ার্ডের নবজীবন স্কুল সংলগ্ন ময়লা ফেলার ডাস্টবিনে কোন ধারে ইটের গাঁথুনি বা প্রাচির নেই। মুক্ত বাতাসে খোলা আকাশের নিচে এমন নোংরা-ময়লার স্তুপ শহরের পরিবেশকে করছে দূষিত।

স্থানীয় নাগরিকরা তাদের বাসা-বাড়ির ময়লা আবর্জনা ওই ডাস্টবিন এলাকায় যত্রতত্র ফেলে যাচ্ছেন। শহরের বেওয়ারিশ কুকুর ও কাক এসে ওই ময়লার স্তুপ থেকে ময়লা টেনে যেখানে সেখানে ফেলার কারণে অত্র এলাকার পরিবেশ নোংরা ও দূষিত হচ্ছে। গন্ধ ছড়াচ্ছে এলাকা জুড়ে।

গত কয়েকদিনের গুড়িগুড়ি বৃষ্টির পানিতে প্রাচির বিহীন ডাস্টবিন থেকে ময়লা ভেসে রাস্তার উপরে ছড়িয়ে গেছে। সব মিলিয়ে নবজীবন ইনস্টিটিউট এলাকা যেনো ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে।
আর ওই ময়লা থেকে মশা-মাছির মাধ্যমে রোগ জীবানু ছড়াচ্ছে নবজীবন স্কুলের শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় এলাকাবাসীদের মাঝে।

এ ব্যাপারে অভিভাবক শহীদুল ইসলাম বলেন, রাস্তার পাশে খোলামেলা স্থানে নোংরা-আবর্জনা ফেলার কারণে বিষিয়ে উঠেছে পরিবেশ। স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে এলাকার মানুষ। এ পথ দিয়ে স্থানীয় নবজীবন ও সাতক্ষীরা কিন্ডার গার্টেনের কয়েশ শিশু ও তাদের অভিভাবকরা যাতায়াত করেন। স্থানীয়রা তো প্রতিনিয়ত যাতায়াত করেন। দীর্ঘদিন ধরে এ অবস্থা চলে আসছে। কিন্তু পৌর কর্তৃপক্ষ বিষয়টি দেখে না। পৌর মেয়রের হস্তক্ষেপ কামনা করেন ওই অভিভাবকসহ স্থানীয়রা।

এ ব্যাপারে, সাতক্ষীরা নবজীবন-এর নির্বাহী পরিচালক তারেকুজ্জামান খান বলেন, সাতক্ষীরা শহরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পরিষ্কারে পৌরসভা কর্তৃপক্ষ অত্যন্ত উদাসীনতার পরিচয় দিচ্ছে। শহরের বিভিন্ন সড়কের পাশে প্রাচিরবিহীন ডাস্টবিনগুলো শহরের পরিবেশ নষ্ট করছে। পাশাপাশি নাগরিকদের স্বাস্থ্য ঝুঁকিও বাড়ছে।

সাতক্ষীরা নবজীবন স্কুলের সামনে একটি ডাস্টবিন রয়েছে। খোলা জায়গার ওই ডাস্টবিন থেকে ব্যাপকভাবে পরিবেশ দূষণ করছে। স্কুলের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করে খোলা জায়গায় ডাস্টবিনটি স্থানান্তর করতে আমাদের প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে পৌরসভা কর্তৃপক্ষের কাছে একাধিক বার যোগাযোগ করেও কোন লাভ হয়নি। বিষয়টি নিয়ে অভিভাবক ও আমরা চিন্তিত। আমি সাংবাদিকের মাধ্যমে সাতক্ষীরা পৌর মেয়র এর কাছে আহবান জানাবো অতি দ্রুত নবজীবনের সামনের এ ডাস্টবিনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা এবং ডাস্টবিনটি অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া।

এব্যাপারে পৌরসভার ০৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোঃ শফিকুল আলম বাবু জানান, নবজীবনের সামনে প্রতিষ্ঠিত কোন ডাস্টবিন নাই। এক সময় যেটি ছিলো সেটি ভেঙে ফেলা হয়েছে। ওখানে কোন নাগরিকের ময়লা ফেলার কথা না। তার পরেও অনেকে ইচ্ছে মতো ময়লা ফেলে যাচ্ছে। পৌরসভার পক্ষ থেকে ময়লা সংগ্রহের জন্য ভ্যান দেওয়া হয়েছে। তিনি আরো বলেন, প্রয়োজনে ময়লা আবর্জনা না ফেলার জন্যে সাইন বোর্ড দেওয়া হবে। বিষয়টি আমি গুরুত্বের সাথে দেখবো।
##

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2021 satkhiratimes24.com
Theme Customized By BreakingNews