1. altafbabu1@gmail.com : news :
  2. altafbabu1@gmail.com : Satkhira Times : Satkhira Times
January 17, 2022, 2:06 am
Title :
বাংলাদেশকে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধশালী দেশে রুপান্তর করাই আমাদের লক্ষ্য–প্রধানমন্ত্রী তীব্র শীতে অসহায় শীতার্তদের মাঝে নূরনগর মানবতার কল্যাণ ফাউন্ডেশনের কম্বল বিতরণ দেবহাটায় বাল্যবিবাহ বন্ধে সমন্বিত উদ্যোগের উদ্বোধন দেবহাটায় গৃহহীনকে ঘর বানিয়ে দিচ্ছে পুলিশ মরহুমা রোকেয়া খাতুনের রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া শ্যামনগরে ক্ষতিগ্রস্থ উপকূলবাসীর জন্য ফ্রি মাতৃস্বাস্থ্য সেবা ক্যাম্প হিলফুল সামাজিক উন্নয়ন সংগঠনের পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা প্রদান খুলনা জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে গভীর রাতে হতদরিদ্র ঋষি পল্লীতে শীতবস্ত্র বিতরন করলেন ইউএনও “বীর নিবাস” নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করলেন সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবু

৬ ডিসেম্বর কলারোয়া পাকিস্থানী হানাদার মুক্ত দিবস

  • আপডেট সময় Sunday, December 5, 2021
দীপক শেঠ, কলারোয়া :  ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর কলারোয়া থেকে পাকিস্থানী হানাদারদের বিতাড়িত করে মুক্তিকামী মানুষ স্বাধীন দেশের পতাকা উত্তোলন করে আনন্দ-উল্লাসের মধ্য দিয়ে মুক্ত দিবস পালন করেন।
দীর্ঘ ৯ মাস কলারোয়ার দামাল ছেলেরা সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে পাকিস্থানী
সেনাবাহিনীকে হটিয়ে অবরুদ্ধ কলারোয়াকে এই দিন মুক্ত করেন।
সূত্র মতে, মহান মুক্তিযুদ্ধে কলারোয়ায় ৩৪৩ জন বীর সন্তান যুদ্ধে অংশগ্রহন করেন। শহীদ হন ২৭ জন মুক্তিযোদ্ধা এর মধ্যে কলারোয়ার বীর সন্তান ৯ জন। আর এ পর্যন্ত কলারোয়ার ৮টি গণকবরের সন্ধান পাওয়া গেছে।
এর মধ্যে কলারোয়া হাইস্কুল ফুটবল ময়দানের পার্শ্বে অবস্থিত গণকবরে শায়িত রয়েছেন গোপালগঞ্জ জেলার অধিবাসী শহীদ মুন্সী সাহেব আলী, মুন্সী মহসীন আলী, সুভাষ চন্দ্র, শিশির চন্দ্র, ও মনোরঞ্জন সহ নাম না জানা আরো অনেকে। দীর্ঘ ৯ মাসের স্বাধীনতা যুদ্ধে কলারোয়ায় পাকবাহিনীর সাথে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মুখ যুদ্ধ হয় ৬টি।
প্রতিটি যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধারা বীরত্বের সাথে যুদ্ধ করে পাকবাহিনীকে পরাস্থ করে। কলারোয়া অঞ্চলে মুক্তিযোদ্ধা পরিচালনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করে শতাধিক ব্যক্তির সমন্বয়ে গঠিত প্রবাসী সংগ্রাম পরিষদ।
প্রবাসী সংগ্রাম পরিষদের নেতৃত্বে ছিলেন প্রাক্তন এমসিএ প্রয়াত মমতাজ আহম্মেদ, প্রয়াত ভাষা সৈনিক শেখ আমানুল্যাহ, সাবেক সংসদ সদস্য বি,এম নজরুল ইসলাম, প্রয়াত মোসলেম উদ্দীন, স্বর্গীয় শ্যামপদ শেঠ, প্রয়াত ইনতাজ আহম্মেদ, প্রয়াত মোছলদ্দীন গাইন, প্রয়াত ডাঃ আহম্মদ আলী প্রমুখ।
কলারোয়া এলাকা ছিল মুক্তিযুদ্ধের ৮নং সেক্টরের অধীনে। পাকবাহিনীর বিরুদ্ধে প্রথম যুদ্ধ পরিচালনা করেন কলারোয়ার দুই বীর মুক্তিযোদ্ধা মোসলেম উদ্দীন ও আব্দুল গফ্ফার। এই দুই যুদ্ধকালিন কমান্ডারের নেতৃত্বে পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন করেন কলারোয়ার বীর সন্তান সৈয়দ আলী, গোলাম মোস্তফা, আবুল হোসেন, আঃ রউফ, কার্ত্তীক চন্দ্র, মালেক সহ শতাধিক
মুক্তিযোদ্ধা।
সাতক্ষীরার ভোমরা সীমান্তে সংগঠিত রক্তক্ষয়ী ওই যুদ্ধে ৬ শতাধিক পাকিস্থানী সেনা নিহত হয়। কলারোয়ায় পাক হানাদারদের সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের কয়েকটি বড় ধরনের সম্মুখ যুদ্ধ হয়। এ যুদ্ধেই ২৯ জন পাকিস্থানী সেনা নিহত হয়। শহীদ হয় ১৭ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা।
এর আগে ১৭ সেপ্টেম্বর কলারোয়ার সীমান্ত এলাকা কাঁকডাঙ্গা যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রচন্ড আক্রমনের মুখে হানাদাররা কাঁকডাঙ্গা ও দমদম ঘাঁটি ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়।
এ ভাবে দীর্ঘ ৯ মাস কলারোয়ার বিভিন্ন স্থানে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রচন্ড আক্রমনে অবশেষে ৬ ডিসেম্বর পাকিস্থানী সেনারা কলারোয়া ছেড়ে পালিয়ে গেলে বীর মুক্তিযোদ্ধারা কলারোয়া মুক্ত করে স্বাধীন দেশের লাল-সবুজের পতাকা (জাতীয়) উত্তোলন করেন।
এই খুশির দিনে কলারোয়ার বিভিন্ন এলাকার মুক্তিকামী মানুষ আনন্দ, উল্লাস প্রকাশের মধ্য দিয়ে মুক্ত জীবনের বিজয়ের প্রকৃত স্বাদ উপভোগ করেন।
উল্লেখ্য, পাক হানাদার মুক্ত দিবস পালনের লক্ষ্যে কলারোয়া মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের আয়োজনে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহন করা হয়েছে বলে জানা যায়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2021 satkhiratimes24.com
Theme Customized By BreakingNews