গাইবান্ধার সদর উপজেলার কুপতলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীকে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে।

নির্যাতিতা ওই ছাত্রী বর্তমানে গাইবান্ধা জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ ব্যাপারে সদর থানায় মামলা করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সদর উপজেলার কুপতলা সাগরপাড় এলাকার হারুন-অর রশিদ ও তার লোকজনের সাথে একই এলাকার আবুল হোসেন ও তার লোকজনের মধ্যে বাড়িতে চলাচলের রাস্তা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল।

এ ব্যাপারে হারুন-অর রশিদ থানায় অভিযোগ দিলে থানা থেকে এএসআই রায়হান বিরোধ মিমাংসার জন্য আবুল হোসেনকে থানায় একাধিকবার ডেকে পাঠায়। কিন্তু আবুল হোসেনকে থানা পর্যন্ত নিয়ে আসা সম্ভব হয়নি।

এই ঘটনায় প্রতিবেশী আবু সাইদ তার ছেলে সুমন মিয়া হারুন-অর রশিদের পক্ষ নেয়ায় আবুল হোসেন ও তার লোকজন আবু সাইদ তার ছেলে সুমন মিয়ার উপর ক্ষিপ্ত হয়।

এরই জের ধরে গত ৮ ফেব্রুয়ারী দুপুরে আবু আবুল হোসেন, তার ছেলে রেজাউল করিম, মশিউর রহমান, রওশন মিয়াসহ ১০/১২ জন আবু সাইদ ও তার ছেলে সুমন মিয়ার বাড়িতে হামলা চালায়। হামলার এক পর্যায়ে রেজাউল করিম, মশিউর রহমান, রওশন মিয়া আবু সাইদের মেয়ে সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীর উপর নির্যাতন চালায়। তারা ওই ছাত্রীর শরীরের স্পর্শকাতর স্থান গুলোতে কামড়ে গুরুতর আহত করে। তারা ওই ছাত্রীর হাতের আঙ্গুল ভেঙ্গে দেয়। পরে স্থানীয়রা ছাত্রীটিকে উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেলা হাসপাতালে ভর্তি করায়।

গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মোঃ শাহরিয়ার বলেন, পারিবারিক রাস্তা নিয়ে হামলার ঘটনায় পৃথক দুইটি মামলা করা হয়েছে। তবে ওই ছাত্রীর বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।