ইসহাক বিন ফরমান : আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর ইউনিয়নের কোলা-হিজলিয়া এলাকায় পাউবো’র ভেড়ী বাঁধে আবারও ভয়াবহ ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। শতাধিক হাত বাঁধে ভাঙ্গন ও ভায়বহ ফাঁটল ঠেলে যে কোন সময় খোলপেটুয়া নদীর পানিতে এলাকা প্লাবিত হতে পারে।

স্বেচ্ছাশ্রমে ও শ্রমিক নিয়ে প্রাথমিক ভাবে বাঁধ রক্ষার কাজ করা হচ্ছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর আলিফ রেজা রবিবার সকালে বাঁধটি সরোজমিনে পরিদর্শন করেছেন।

শ্রীউলা ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী প্রতাপনগর ইউনিয়নের হিজলিয়া ও কোলা গ্রামের মধ্যবর্তী স্থানে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বেড়ীবাঁধের প্রায় ১০০ হাতের মতো এলাকার বড় অংশ গত শনিবার বিকালে নদী গর্ভে চলে যায়।

এর পরপরই স্থানীয় জন প্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষ বাঁধ রক্ষায় ঝাঁপিয়ে পড়েন। পরের জোয়ারে যাতে বাঁধটির অবশিষ্ট অংশ ভেঙ্গে না যায় সে জন্য শ্রীউলা ইউপি চেয়ারম্যান আবু হেনা সাকিল, প্রতাপনগর ইউপি চেয়ারম্যান শেখ জাকির হোসেন এর নেতৃত্বে এলাকার মানুষ বাঁশ, গাছের ডাল ও মাটির বস্তা ফেলে বাঁধ রক্ষার কাজ করেন।

রবিবার সকাল থেকে পুনরায় কাজ চলাকালে সকাল ১০টায় বাঁধ পরিদর্শন করেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর আলিফ রেজা, পানি উন্নয়ন বোর্ডেও নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুজ্জামান খান, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান অসীম বরণ চক্রবর্তী ও পিআইও সোহাগ খান।

তবে বাঁধের অবস্থা এখনো ভয়াবহ। দ্রুত বাঁধটি রক্ষায় বড় ধরনের কাজ না করা হলে বর্ষা মৌসুমে শেষ রক্ষা না হওয়ার আশঙ্কা করছে এলাকাবাসী।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকতা মীর আলিফ রেজা বলেন, বাধটি রক্ষার জন্য শ্রীউলা ও প্রতাপনগর ইউপি চেয়ারম্যানের উদ্যোগে সেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে কাজ করা হচ্ছে।

উপজেলা প্রশাসন থেকে বাঁধ রক্ষায় সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে। এলাকার মানুষ যাতে ক্ষতিগ্রস্থ না হয় সেজন্য জনগণকে সাথে নিয়ে কাজ করতে তিনি আহবান জানান।