স্টাফ রিপোর্টার : বিশ্বব্যাপী নোভেল করোনা মহামারি আকার ধারন করেছে। ইতিমধ্যে বাংলাদেশেও ভয়াবহ রুপ নিয়েছে করোনা।

করোনা থেকে জনসাধারণকে বাঁচাতে সরকার বিভিন্ন কার্যকরী পদক্ষেপ নিয়েছে। দেশের কয়েকটি জেলা উপজেলা লকডাউন ও করা হয়েছে। জনসাধারণকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সামাজিক নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখতে।

সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসন,পুলিশ, সেনাবাহিনী, রাজনৈতিকরা রাত দিন কাজ করে যাচ্ছে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী। ঘরে থাকা মানুষের বড়ি বাড়ি খাবার পৌছে দিচ্ছে তারা। সরকারের দেওয়া নির্দেশ অমান্য কারীদের শাস্তির আওতায় আনছেন প্রশাসন।

দোকানপাট, ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান, যানবাহন চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়েগেছে জেলায়। এতো কিছুর পরও বন্ধ হচ্ছেনা সাতক্ষীরার বৈধ অবৈধ ইটভাটায় ইট তৈরির কাজ।

এখনো সাতক্ষীরার ইটভাটা গুলোতে দিন রাত কাজ করছে বিভিন্ন বয়সের নারী শিশুসহ হাজার হাজার শ্রমিক। বর্তমানে জেলায় নিবন্ধিত ১৩৮টি ইটভাটা ও অবৈধ ইটভাটা রয়েছে আরো ৫০টি এসব ভাটা গুলোতে করোনা সংক্রমণ এড়াতে কোনো প্রকার কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়নি মালিক পক্ষ।

ইটভাটা গুলোতে শ্রমিকদের স্বাস্থসুরক্ষা নিয়ে কোন চিন্তা নেই তাদের।

বিভিন্ন সূত্র থেকে জানাযায় সাতক্ষীরা জেলার ইটভাটার অধিকাংশ মালিকেরা প্রভাবশালী হওয়ায় কোনো প্রকার আইনের ধারধরেনা তারা।

এছাড়া আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর সাথে ভাটা মালিকদের গোপন আঁতাতের কারণে খুব সহজে বেআইনি অপকর্মের দোষ ত্রুটি ঢাকাপড়ে তাদের।

সাতক্ষীরা কাস্টমস ভ্যাট অ্যান্ড এক্সাইজ অফিস সূত্রে জানা গেছে, জেলার সাতটি উপজেলায় ২০১৯-২০ অর্থবছর পর্যন্ত নিবন্ধিত ইটভাটার প্রত্যেকটি স্থাপন করা হয়েছে ফসলি জমিতে ও জনবসতির পাশাপাশি।

এজন্য ইট পোড়ানোর কালো ধোঁয়ায় চরম ভোগান্তিতে থাকে আশপাশের বাসিন্দারা। দূষিত কালো ধোঁয়ার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয় গাছের ফল, ক্ষেতের ফসল ও স্বাস্থ্যঝুঁকিতেও রয়েছে ইটভাটার কর্মরত শ্রমিকরা।