সাতক্ষীরা থেকে করোনা টেস্টের জন্য এ পর্যন্ত ৩১৯ জনের নমুনা পাঠানো হয়েছে। ১৫৩ জনের রিপোর্ট পাওয়া গেছে। আশার কথা হলো সবাই করোনা নেগেটিভ। কোভিড-১৯ আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসায় ৩টি এ্যাম্বুলেন্স সার্বক্ষণিক প্রস্তুত আছে, ৮টি ভেন্টিলেশন সম্পূর্ণ প্রস্তুত করা হয়েছে, ২০টি অক্সিজেন সিলিন্ডার এবং ২০টি নেবুলাইজার প্রস্তুত রয়েছে।

সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে করোনা হাসপাতাল হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। যেখানে ১০০টি বিছানা প্রস্তুত রয়েছে। এ পর্যন্ত সারা বিশ্বের নানা দেশ থেকে প্রায় ১১ হাজার ২৪৮ মানুষ সাতক্ষীরায় এসেছিলেন।

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রত্যেকের বাড়িতে লাল পতাকা এবং স্থানীয় কমিটির মাধ্যমে ১১ হাজার ২৪৮ লোকের হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করা হয়েছিল। জেলা পুলিশ এবং স্বাস্থ্য বিভাগও হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিতে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় কাজ করেছিল।

এদিকে কোভিড-১৯ পরিস্থিতি সম্পর্কে জেলা প্রশাসক জানিয়েছেন, জেলায় হোম কোয়ারেন্টিনে আছেন ২৬,৩০৩ জন। প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে আছেন ৩,৮৬৩ জন। আইসোলেশনে আছেন ৫জন। কোয়ারেন্টিন ও আইসোলেশন থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১৯,৪৫৫ জন।

১মার্চ থেকে বিদেশ প্রত্যাগত হয়েছেন ১১ হাজার ২৪৮ জন। বিদেশ প্রত্যাগতদের বাড়িতে লাল পতাকা দিয়ে হোম কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করা হয়েছে।

এদিকে নারায়নগঞ্জ, মাদারিপুর এবং শরিয়তপুর থেকে লক ডাউনের মধ্যেও ১২ হাজারের বেশি মানুষ সাতক্ষীরা জেলাতে এসেছে। যারা ফিরে আসছেন তাদের প্রাতিষ্ঠানিক এবং হোম কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করতে উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

জেলা প্রশাসক নিজে সকল উপজেলায় গিয়ে জনপ্রতিনিধি এবং সরকারি কর্মকর্তাদের সাথে সভা করেছেন। নতুন আগত সকলের হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিতের ব্যবস্থা নিয়েছেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানদেরকে গ্রাম কমিটি গঠনের মাধ্যমে ঐসকল জেলা থেকে বাড়িতে আগত ব্যাক্তিদের হোম কোয়ারেন্টাইন জোরদার করতে জেলা প্রশাসক নির্দেশনা দিয়েছেন। সূত্র-পত্রদূত