শেখ খাবিরুল্লাহ : সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ফিংড়ী ইউনিয়নের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের আঘাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সহ নিহত হয়েছে ১ জন ।

জানা গেছে এই প্রথমবার দির্ঘক্ষন ধরে ঘুর্নিঝড় আমফান আঘাত করে ফিংড়ীতে, সন্ধার পরপরই শুরু হয় ঘুর্নিঝড় আম্পান, টানা ৫ ঘন্টা ধরে আঘাত করে ঘুর্নিঝড় টি, যার আঘাতে এল্লারচর, শিমুলবাড়িয়া, ফয়জুল্লাপুর, বালিথা, ফিংড়ী, গোবিন্দপুর, গাভা,ব্যাংদহা, জোড়দিযা, গোবরদাড়ী, হাবাসপুর, কুলতিয়া, সুলতানপুর, জিফুলবাড়ী, মির্জাপুুর সহ

সকল এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সহ নিহত হয়েছে ১ জন। ঘুর্নিঝড় আম্পানের আঘাতে, ঘরবাড়ী ভেংগে গেছে, ভেংগে পড়েছে অসংখ্য গাছ গাছপালা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সহ দোকানের টিনের চাল গুলো উড়ে গেছে, মুখ থুবড়ে পড়ে আছে ঘের জলাশয়ের বাসা গুলো। ভোরে রাস্তা পার হতে পারেনি কেউ রাস্তার উপর গাছ আর গাছ, কি করে পার হবে রাস্তা এমন দৃশ্য এই প্রথমবার দেখা গেল।

এছাড়া কুলতিয়া গ্রামের উপেন্দ্র নাথ ঘোষের পুত্র প্রভাষ ঘোষ( ৪৫) প্রচন্ড বেগে যখন চলছিল ঝড় ঠিক সেই সময় নিজের গোয়াল ঘরের অবস্হা ভাল না দেখে, গোয়াল ঘর থেকে গরু বের করার সময়,

প্রচন্ড বেগে ঝড় বইছে এরই মধ্যে ঘরের খোলা পড়ে জায়গায় নিহত হয়। আবার অনেকে বলছে প্রভাষ ঘোষের শ্বরিলে কোন ক্ষত বিক্ষত চিহ্ন পাওয়া না যাওয়াই ঝড়ের প্রকোপের মধ্যে পড়ে হার্ট স্ট্রোক করে প্রভাষ মৃত্যু বরন করেছে।

প্রভাষ ঘোষের বাড়ীর লোকজন প্রভাষ গোয়াল ঘর থেকে গরু বের করতে গেল, কিন্তু ফিরে না আসায় খোজ করতে যেয়ে দেখতে পায় প্রভাষের মৃত দেহটি গোয়াল ঘরের পাশে পড়ে রয়েছে, পরিবারের লোকজনের চিৎকার শুনে পার্শবর্তি লোকজন ছুটে এসে প্রভাষের মৃত দেহটি উদ্ধার করে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে কুলতিয়া শ্বষানে প্রভাষের মৃত দেহকে দাহ করা হয়েছে।ঘটনা স্হানটি ফিংড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সামছুর রহমান এবং ৯ নং ওয়ার্ড মেম্বর মহাদেব চন্দ্র ঘোষ পরিদর্শন করেছেন।