কালিগঞ্জ প্রতিনিধি : কালিগঞ্জ উপজেলার নলতায় প্রেরণার অফিসের আসবাপত্র ভাংচুর ও নারী কর্র্মীদের মারপিটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে গত ৩ আগষ্ট বেলা সাড়ে ১১টায় নলতা প্রেরণা কার্যালয়ে। এ ঘটনায় নারী উন্নয়ন সংগঠন প্রেরণার নির্বাহী পরিচালক শম্পা গোস্বামী ৩ জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে বেসরকারী নারী উন্নয়ন সংগঠন প্রেরণা সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের নিকট থেকে নলতা মৌজা খতিয়ান নং-২, দাগ নং-১৩৭৬ দুই একর জমি ইজারা গ্রহন করেন। সেখানে প্রেরণার নারী উন্নয়নের সংগঠনের একটি প্রকল্প অফিস নির্মান করে অফিসে ১০ জন নারী ও ২ জন যুবক কাজ করে আসছে।

এছাড়া প্রেরণার নারী উন্নয়ণ সংগঠন একটি স্বেচ্ছাসেবী উন্নয়ন মূলক সংগঠন। যেখানে চার শতাধিক দুস্থ্য, স্বামী পরিত্যক্ত, অবহেলিত ও পিছিয়ে পড়া নারী কর্মসংস্থানে কাজ করেন। পাশাপাশি নারীর অধিকার ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে সংগঠনটি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন দাতা সংস্থার সহায়তায় কাজ করে চলেছে।

ইতিমধ্যে পাশ্ববর্তী জমির মালিক এহছানুল কবির জমিতে অফিস ঘর নির্মানকে কেন্দ্র করে ভয়ভীতি সহ বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রম চালাতে থাকে। এই সুযোগে এহছানুল কবির স্থানীয় ইউ.পি চেয়ারম্যানের কাছে প্রেরণার নির্বাহী পরিচালক শম্পা গোস্বামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করে।

অভিযোগের ভিত্তিতে ৩ আগষ্ট সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় চেয়ারম্যান এর নিজিস্ব কার্যালয়ে একটি সালিষ মিমাংশার জন্য কাগজপত্র দেখাদেখি হয়। সেখানে স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে উভয় পক্ষকে দ্রুত সময়ের মধ্যে সম্পত্তির বিরোধ মিমাংসার বিষয়ে উভয় পক্ষকে স্থিতিশীল অবস্থায় থাকার কথা বলা হয়।

সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শম্পা গোস্বামী তার লোকজন সহ চেয়ারম্যান এর কার্যালয় থেকে চলে আসার পর চেয়ারম্যানের নির্দেশে উপজেলার মাঘুরালী গ্রামের জহিরুল ইসলামের ছেলে নূর হোসেন বাবু, পশ্চিম নলতা গ্রামের কামাল উদ্দীন কারিকরের ছেলে রমজান কারিকর ও হিজলা চন্ডিপুর গ্রামের আরশাদ খান এর ছেলে বিদ্যুৎ খান অফিসে এসে নারী কর্মীদের গালিগালাজ মারপিট সহ বিভিন্ন হুমকি দিয়ে প্রেরণা অফিসের আসবাবপত্র ভাংচুর করে।

এ ঘটনায় প্রেরণার নারী কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি তদন্তপূর্বক আইননাুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য শম্পা গোস্বামী কালিগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ বরাবর অভিযোগ দায়ের করেছেন।