অনলাইন ডেস্ক : করোনা বিরতি কাটিয়ে বিশ্বের অনেক দেশেই মাঠে ফিরেছে ক্রিকেট। তালিকায় যোগ হতে যাচ্ছে বাংলাদেশও। জুলাইয়ের স্থগিত হয়ে যাওয়া টেস্ট সিরিজ খেলতে ২৩ সেপ্টেম্বর শ্রীলঙ্কা সফরে যাবে মুমিনুল হকের দল।

একইদিনে শ্রীলঙ্কা সফরে যাবে বাংলাদেশের হাই-পারফরম্যান্স (এইচপি) দলও। সফরের আগে মিরপুরে ১০-১২ দিনের কন্ডিশনিং ক্যাম্প হলেও টাইগারদের মূল ক্যাম্প হবে শ্রীলঙ্কাতেই। ২৪ অক্টোবর শুরু হতে পারে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্টটি।

বুধবার বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান আকরাম খান, এইচপি চেয়ারম্যান নাঈমুর রহমান দুর্জয়, বিসিবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিজাম উদ্দিন চৌধুরী ও নির্বাচকরা মিলে সভা করেছেন। ক্রিকেটে ফেরার রূপরেখা চূড়ান্ত করে ফেলেছেন তারা।

সভা শেষে নাঈমুর সংবাদমাধ্যমকে বললেন, ‘এইচপির যে ক্যাম্পটা আমাদের করার কথা ছিল, সেটা জাতীয় দলের সাহায্যের জন্য একসঙ্গে শ্রীলঙ্কাতে করার পরিকল্পনা করেছি। যাওয়ার আগে জাতীয় দল এবং এইচপির একটি কন্ডিশনিং ক্যাম্প হবে দেশে।

তবে মূল ক্যাম্পটা হবে শ্রীলঙ্কাতে। জাতীয় দল যখন সিরিজে চলে যাবে, তখন শ্রীলঙ্কাতে এইচপির যে সিরিজটি ছিল আমরা সেটাতে চলে যাবো।’‘যাওয়ার তারিখটা এখন হয়তো একটু এদিক ওদিক হতে পারে। সেপ্টেম্বরের ২৩ তারিখে যাওয়ার কথা রয়েছে।

জাতীয় দলের যে সফরটা আছে, সেখানে শ্রীলঙ্কা ওদের জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের ছাড়া অন্যদলকে যোগ করতে চাচ্ছে না। এমনিতেও আমাদের এইচপির একটা শ্রীলঙ্কা সফর ছিল।

যেহেতু সেখানে কোভিডের সংক্রমণটা একটু ভালো, তাই আমরা মনে করছি এটা শ্রীলঙ্কাতে করলে জাতীয় দলের জন্যও ভালো হচ্ছে, অনুশীলন ম্যাচগুলো আমরা জাতীয় দলের জন্য দিতে পারবো।’

এ বিষয়ে আকরাম বললেন, ‘আমরা অনেক বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি। প্রথম ছিল করোনা টেস্টের ব্যাপারে, আমরা ক্যাম্পটা কীভাবে শুরু করবো। সেটার ভালো একটি পরিকল্পনা করেছি। এটা আমরা পরে জানিয়ে দিবো।

এরপর ইস্যু ছিল আমরা কতদিন দেশে অনুশীলন করবো, কতদিন সেখানে করবো। সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে দেশে হয়তো ১০-১২ দিন অনুশীলন করে শ্রীলঙ্কায় চলে যাবো এইচপি টিমকে নিয়ে। সেখানে ২০-২৫ দিন একসাথে অনুশীলন করবো। তারপর অক্টোবরের ২৪ তারিখ আমাদের খেলা আছে।’