এমএম সাহেব আলী, আশাশুনি প্রতিনিধি : ট্রিপল নাইনে ফোন দিয়ে আশাশুনির সাবেক মেম্বরের বিরুদ্ধে শিশু (১২) ধর্ষনের অভিযোগ করা হয়েছে। এ ঘটনায় রবিবার দুপুরে থানাপুলিশ ভিকটিম ও ঘটনাটি দেখেছেন দাবি করা এমন একজন শিশু (১২) স্বাক্ষীকেও থানা হেফাজতে নিয়েছে থানাপুলিশ।

ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার দুপুরে কাদাকাটি ইউনিয়নের মিত্রতেঁতুলিয়া গ্রামে। সাবেক মেম্বর শাহনগর গ্রামের মৃত মুক্তিযোদ্ধা শাহ ইদ্রিস আলীর ছেলে মিজানুর রহমান মন্টুর বিরুদ্ধে এ অভিযোগ করা হয়েছে বলে জানাগেছে।

তিনি গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে প্রতিযোগিতাও করেছিলেন। শনিবার দুপুরে মিত্রতেঁতুলিয়া গ্রামের জনৈক আম্বিয়ার ঘরে তিনি এক মাদুর ব্যবসায়ীর শিশু মেয়েকে ধর্ষণ করেছেন বলে ট্রিপল নাইনে অভিযোগটি করা হয়।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত সাবেক মেম্বর জানান- ঘটনাটি দুপুরে এক সাংবাদিকের মাধ্যমে জানতে পেরেছি। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা আমার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে এসব ছড়িয়ে বেড়াচ্ছে। সঠিক তদন্ত হলে আসল রহস্য বেরিয়ে আসবে।

ঘটনাস্থলে গেলে ওই মাদুর ব্যবসায়ীর ঘরের সামনের দোকানী জোসনা খাতুন বলেন রবিবার দুপুরে পুলিশ এলে জানতে পারি এ ঘটনাটি শনিবার ঘটেছে।

মাদুর ব্যবসায়ীর চাচা গহর গাজী, লুৎফর গাজী, তাসলিমা, ঝারু বিবি, ফাতেমাসহ পার্শ্ববর্তী প্রতিবেশিরা বলেন এতবড় ঘটনা ঘটলো অথচ পুলিশ না এলে আমরা জানতেই পারতাম না। মেম্বরের জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে তার প্রতিপক্ষরা এসব রটাচ্ছে। সঠিক তদন্ত হলে আসল রহস্য বেরিয়ে আসবে বলে তারা আশাবাদি।

উল্লেখিত ঘটনাস্থলের পাশে মৎস্য ঘেরের মালিক কাদাকাটি ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আয়ুব আলী জানান- উল্লেখিত ঘটনার দিন সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত আমি ঘেরের বাসায় ছিলাম।

কোথাও কোন চিৎকার চেঁচামেচির খবর পাইনি। রবিবার দুপুরে এ খবর শুনে আমি হতবাক হয়েছি। বিষয়টির সঠিক তদন্ত হওয়া দরকার।

এ ব্যাপারে আশাশুনি থানা অফিসার ইনচার্জ মো. গোলাম কবির জানান- ট্রিপল নাইনে স্পর্শকাতর এ ঘটনা শুনে আমরা তাকে হেফাজতে নিয়েছি।

তারা আমাদের কাছে এখনও কোন অভিযোগ করেননি। সোমবার (আজ) সকালে ঘটনাস্থলে গিয়ে আমরা সঠিক তদন্ত করে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করব।