জি এম আমিনুল হক : ধূলিহরে মটর চুরি চক্রের এক সদস্য আটকের পর তার স্বীকারোক্তিতে ছয়টি মটর উদ্ধার করার পর তাকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে ।
জানা যায়, একটি সংঘবদ্ধ চক্র দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মটর চুরি করে তা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বিক্রি করে আসছিল। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সকালে সাতক্ষীরা সদর ধুলিহর সানাপড়ার মুন্না বিশ্বাস(৩৫) পিতা:শাজাহান বিশ্বাস এবং ব্রহ্মরাজপুর বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মনিরুল ইসলামের পৃথক দুইটা মটর চুরি হয়।তাদের চুরি হওয়া মোটর খুঁজে পেতে সন্দেহভাজন শরিফুল মোল্লা(৩০) পিতা: ফজলু মোল্লা এবং সহযোগী একই এলাকার সাঈদ বিশ্বাস(২৭) পিতা: আয়ুব আলী বিশ্বাসকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা তাদের এক সহযোগী মৃত কুদ্দুস দাইয়ের পুত্র সুমন দাইয়ের(৩২) কথা স্বীকার করে।
তাদের স্বীকারোক্তিতে আরো উঠে এসেছে,এলাকার বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রায় ৩৫টি মটর চুরি করে একই এলাকার মহিউদ্দিন সানার পুত্র জাকির সানার মাধ্যমে বিক্রি করেছে তারা।
দুঃখজনক হলেও সত্য সুমনকে খুঁজতে যাওয়ার সময় পথিমধ্যে দৌড়ে পালিয়ে যায় মটর চুরি চক্রের মূল হোতা শরিফুল মোল্লা।পরে এলাকাবাসী ধৃত সাঈদকে সাথে নিয়ে ধূলিহর জাহানাবাজের মৃত অধীর বিশ্বাসের পুত্র সত্যজিৎ বিশ্বাসের টয়লেটের সেপটিক ট্যাংকের ভিতর থেকে ৬টি মটর উদ্ধার করে। উদ্ধারকৃত মটরের ১টি ব্রহ্মরাজপুর বাজারের বিশিষ্ট ধান ব্যবসায়ী আব্দুল খালেকের বলে জানা গেছে।
একটি মটর উদ্ধার পরবর্তী সময়ে সাঈদকে নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানে জনাব মিজানুর রহমান চৌধুরীর শরণাপন্ন হলে পরবর্তীতে আরো পাঁচটি মটর উদ্ধার হয়।
ধৃত শুধুমাত্র সাঈদকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। সাথে সাথে উদ্ধারকৃত ছয়টি মটর হতে পাঁচটি মটর থানায় জমা দেওয়া হয়েছে এবং একটি মটর প্রমাণ সাপেক্ষে মোটরের মালিককে ফেরত দেওয়া হয়েছে বলে ইউনিয়ন পরিষদ সূত্রে জানা গেছে।
এছাড়াও এলাকার ১৪ জন ব্যক্তি পৃথক ইউনিয়ন পরিষদে মটর চুরির অভিযোগ দিয়েছে। অভিযোগকারী ব্যক্তিদের নাম নিম্নে দেওয়া হল, বেরবাড়ি গ্রামের মোঃ মনিরুল ইসলাম এবং মো. শামীম শেখ,জাহানাবাজ গ্রামের খোকন বিশ্বাস,হরষিত মাস্টার,আরশাদ আলি এবং রফিকুল ইসলাম,জিয়ালা গ্রামের মোকলেছুর রহমান,সরদারপাড়ার রুহুল আমিন বাবলু ও পুরাতন সাতক্ষীরা মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম মনিসহ আরো অনেকে।
চুরিযাওয়া সকল মটর ফিরে পেতে এবং চুরির সাথে জড়িত সকলকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে এলাকার ভুক্তভোগী ও সাধারণ জনগন।







