নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর সাহাপাড়ায় শহিদুল ইসলামের বাড়িতে দীর্ঘদিন ধরে এলাকার চিহ্নিত ভাসমান পতিতাদের নিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগ উঠেছে।

জানা গেছে, সাহাপাড়ার শহিদুল ইসলাম ও তার স্ত্রী পারুল বেগম এলাকার কিছু চিহ্নিত ভাসমান পতিতা ও সাতক্ষীরা শহরের বিভিন্ন জায়গা থেকে পতিতাদের সংগ্রহ করে প্রতিদিন সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত দেহব্যবসা চালিয়ে আসছে।

স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়ীতে মাসোহারা দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্য দেহব্যবসা চালিয়ে আসছে বলে স্থানীয়রা জানান। এনিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। ওপেন সিক্রেট ভাবে দেহব্যবসা চলার কারণে এলাকার যুব সমাজ আজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। অভিভাবকরা শংকিত হয়ে পড়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ভাসমান যৌনকর্মী জানান- আমি মাঝে মাঝে সকালে আসি এবং সন্ধ্যা বেলায় চলে যাই। ১৫/২০ টা কাজ করি। খরিদদারদের নিকট থেকে পারুল ভাবী ৫০০ টাকা করে নেয় আমাদের দেয় ২০০টাকা। অভাবের তাড়নায় এই কাজ করি তবে সবদিন আসি না। যেদিন ফোন করে আসতে বলে সেদিন আসি।

এলাকার মেয়েরা বেশি কাজ করে। গ্রামের মধ্যে নিরিবিলি পরিবেশে ছোট ছোট ঝুপড়ি ঘরে দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্য দেহব্যবসা করার কারণে এলাকাবাসী অতিষ্ট হয়ে উঠেছে।

স্থানীয় গোপালসহ একাধিক ব্যক্তি এ প্রতিনিধিকে জানান- পারুল দীর্ঘদিন ধরে দেহব্যবসা করায় এলাকার পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। আমরা বিভিন্ন ভাবে বাঁধা দিয়েও বন্ধ করতে পারছি না। এলাকার কিছু টাউট, দালাল, বাটপার ও পাতিনেতারা তাদের শেল্টার দেওয়ার কারণে তাঁরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। সচেতন এলাকাবাসী অবিলম্বে সরেজমিনে তদন্ত করে দেহব্যবসা বন্ধের জোর দাবি জানিয়ে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *