মেহেদী হাসান শিমুল : আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সাতক্ষীরা সদরের ব্রহ্মরাজপুর পশুর হাটে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে র্যাব-৬। কোরবানির পশুর হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, জাল নোট শনাক্ত এবং যেকোনো ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে মাঠপর্যায়ে তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছে বাহিনীটি।
রবিবার (২৪ মে) বিকাল ৫টায় সাতক্ষীরা সদরের ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নের ডিবি ইউনাইটেড হাইস্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত সাপ্তাহিক পশুর হাট পরিদর্শন করেন র্যাব-৬ সাতক্ষীরা কোম্পানি কমান্ডার জায়েন উদ্দিন মুহাম্মদ যিয়াদ।
পরিদর্শনকালে তিনি বলেন, “আজকে আমরা র্যাবের পক্ষ থেকে ব্রহ্মরাজপুর বাজারে এসেছি। আমাদের টিম এখানে সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবে। নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে জাল টাকা ও জাল নোট শনাক্ত করার জন্য বিশেষ মেশিনসহ একটি কাউন্টার বুথ স্থাপন করা হয়েছে। কারও যদি কোনো টাকার বিষয়ে সন্দেহ হয়, তাহলে আমাদের বুথে এসে তা পরীক্ষা করে নিতে পারবেন।”
তিনি আরও বলেন, “এ ছাড়া যদি কোনো ধরনের সমস্যা হয়, তাহলে আমাদের জানাবেন। আমরা আইনগতভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।”
র্যাব-৬ সিপিসি-১ এর পক্ষ থেকে পশুর হাটে একটি র্যাব সাপোর্ট সেন্টারও স্থাপন করা হয়েছে। পরে তিনি হাট ঘুরে অসংখ্য ক্রেতা-বিক্রেতার সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং সার্বিক খোঁজখবর নেন। কোনো চাঁদাবাজি, বখাটেপনা বা অন্য কোনো সমস্যা হচ্ছে কিনা সে বিষয়েও খোঁজ নেন তিনি। পাশাপাশি কোনো সমস্যা দেখা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে র্যাব-৬ কে জানানোর আহ্বান জানান।
একজন ক্রেতা বলেন, “বর্তমানে বাজারে গরুর মাংস ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। কিন্তু ঈদকে সামনে রেখে পশুর যে দাম চাওয়া হচ্ছে, তাতে প্রতি কেজি মাংসের হিসাব দাঁড়াচ্ছে প্রায় ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত। এতে সাধারণ ক্রেতারা চাপের মধ্যে পড়েছেন।”
র্যাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়, কোরবানির পশুর হাটে ক্রেতা ও বিক্রেতারা যেন কোনো ধরনের হয়রানির শিকার না হন, সে লক্ষ্যে সব ধরনের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
অন্যান্য দিনের তুলনায় রবিবার ব্রহ্মরাজপুর বাজারের সাপ্তাহিক হাট থাকায় প্রচুর গরু-ছাগল উঠেছে এবং বেচাকেনাও ছিল বেশ জমজমাট।







