কালিগঞ্জ প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ হুমায়ুন কবীরের বিরুদ্ধে নানামুখী ষড়যন্ত্রের অভিযোগ উঠেছে। প্রতিষ্ঠানটির কয়েকজন শিক্ষক, ও গুটিকত শিক্ষার্থী পূর্ব পরিকল্পিতভাবে অধ্যক্ষকে ঘীরে মিথ্যা অপ-প্রচার চালানোর অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ ও তথ্যসূত্রে জানাগেছে, সম্প্রতি বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা উপলক্ষে এলাকার তরুণ ও ক্রীড়াপ্রেমীদের বড় পর্দায় খেলা উপভোগের জন্য স্থানীয় সামাজিক ও ক্রীড়া সংগঠন ডি.এম.সি ক্লাব কলেজের প্রজেক্টর ব্যবহারের অনুমতি চেয়ে অধ্যক্ষের কাছে আবেদন করে। আবেদনপত্রে তারা প্রজেক্টর ব্যবহারের পর যথাযথ অবস্থায় ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। অভিযোগ রয়েছে, অধ্যক্ষ প্রজেক্টর ব্যবহারের অনুমতি প্রদান করায় একটি পক্ষ ক্ষুব্ধ হয়ে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয় এবং বিভিন্ন ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলে নানামুখী অপপ্রচার শুরু করে।

প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা যায়, কলেজটিতে বর্তমানে মোট ২২জন শিক্ষক কর্মরত রয়েছেন। এর মধ্যে ৪ জন শিক্ষক ও কিছু শিক্ষার্থী মিলে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ উত্থাপন করেন। তবে এসব নিয়ে সরেজমিনে অনুসন্ধানে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র দাবি করেছে। এদিকে, প্রতিষ্ঠানের ১৮ জন শিক্ষক ও বেশ কিছু শিক্ষার্থী সাংবাদিকদের জানান, অধ্যক্ষ মোঃ হুমায়ুন কবীরের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তারা বলেন, একটি স্বার্থান্বেষী মহল ব্যক্তিস্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ন করতে এমন হীন কর্মকাণ্ডে জড়িয়েছে।

এ বিষয়ে অধ্যক্ষ মোঃ হুমায়ুন কবীর বলেন, “আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। আমাকে সামাজিকভাবে মানহানি ও হয়রানি করার উদ্দেশ্যে একটি পক্ষ পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে। আমি সাংবাদিক ভাইদের কাছে অনুরোধ জানাই, বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করা হোক।

যদি আমার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হয়, তাহলে আমি তা মাথা পেতে নেব।” আমি এই বিদ্যাপীঠ এর লেখাপড়ার মানোন্নয়ন, অবকাঠামো উন্নমনসহ সার্বিক উন্নত পরিবেশ তৈরী করতে কাজ করছি। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর সমন্বয় ঘটিয়ে পরীক্ষার রেজাল্ট ভালো করতে চেষ্টা করছি। সেক্ষেত্র কোনো কোনো সময়ে আমাকে কঠোর হতে হয়। আর এটাকে পুঁজি করে আজ আমার বিরুদ্ধে অপ প্রচারে লিপ্ত হচ্ছে ভিতরে ও বাহিরের একটি দুষ্টচক্র।

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক পরিবেশ যাতে বিঘ্নিত না হয় এবং প্রকৃত সত্য উদঘাটনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সচেতন মহল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *