পাটকেলঘাটা সাতক্ষীরা প্রতিনিধি : যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলায় জানুয়ারী -২৫ থেকে ডিসেম্বর-২৫ পর্যন্ত ১১ টি ইউপিতে গ্রাম আদালতের মোট মামলা গ্রহন করেন ৩৯৪ টি এবং নিস্পত্তি করেন ৩৯৪ টি মামলা। এরমধ্যে পুরুষ আবেদনকারী সংখ্যা ২৮৭ জন এবং নারী আবেদনকারীর সংখ্যা ১০৭ জন।
উক্ত মামলাগুলো থেকে ক্ষতিপূরন আদায় হয় সাইত্রিশ লক্ষ্য বত্রিশ হাজার সত্তর টাকা মাত্র।গ্রাম আদালত থেকে সেবা পেয়ে গ্রাম আদালতের প্রতি কৃতজ্ঞা প্রকাশ করেছেন গৌরিঘোনা ইউনিয়নের ভরত ভায়না গ্রামের মোঃ আমির আলী খানের পুত্র মোঃ সেলিম আক্তার।তিনি বলেন যে,দীর্ঘদিনের ব্যবসায়ীক পাওনা ষাট হাজার টাকা গ্রাম আদালতের মাধ্যমে পিরে পেয়ে আমার খুব উপকার হয়েছে। মজিদপুর ইউনিয়নের পাতা দাসী বলেন , গ্রাম আদালতের মাধ্যমে আমার চিকিৎসার খরচ বাবদ পাঁচ হাজার টাকা ক্ষতিপূরন পেয়েছি।
এছাড়াও পাজিয়া ইউনিয়নের হাফিজুর রহমান তার হাঁস মুরগী মারার ক্ষতিপুরন বাবদ এক হজার পাঁচ শত টাকা ফিরে পেয়েছেন এবং সনৎ কর্মকার নগদ বারো হাজার টাকা ফিরে পেয়েছেন।গ্রাম আদালতের সেবা সম্পর্কে সাধারন মানুষকে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য ইউপিতে গ্রাম আদালতের নাটক প্রদর্শনী করা হয়, সরকারী বে সরকারী ৩৬ টি প্রোগ্রামে গ্রাম আদালত নিয়ে আলোচনা করা হয়।
উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে সকল ইউপি সদস্যদের গ্রাম আদালতের বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় এবং গ্রাম পুলিশদের ও গ্রাম আদালতের উপর ওরিয়েন্টেশন দেওয়া হয়।
বর্তমানে কেশবপুর উপজেলায় গ্রাম আদালতের উপর সাধারন মানুষেন আস্থা দিন দিন বেড়ে চলেছে। এ বিষয়ে কেশবপুর উপজেলা গ্রাম আদালতের উপজেলা কো- অর্ডিনেটর শংকর কুমার দাস বলেন, গ্রাম আদালতের মাধ্যমে এলাকার ছোট খাট ফৌজদারী ও দেওয়ানী বিরোধগুলো ১০ টাকা ও ২০ টাকা ফিস দিয়ে মানুষ ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে সেবা পাচ্ছে।সাথে সাথে উচ্চতর মামলার জট ও হ্রাস পাচ্ছে। গ্রাম আদালতে ০১ টি মামলা নিষ্পত্তি হতে সময় লাগছে ১২ দিন করে।







