তালা (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি : তালায় এক বিশেষ ব্যক্তির সুপারিশে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দুর্নীতিবাজ ও নারী লোভী ডাক্তার খালিদ হাসান নয়নের বদলীর আদেশ স্থগিত হয়েছে। ফলে তালার সুধী সমাজ ও সাধারন মানুষের ভিতর ক্ষোভ ও সমালোচনার ঝড়ের সৃষ্টি হয়েছে।
দুর্নীতিবাজ ডাক্তার নয়ন ও তার মা সিনিয়র স্টাফ নার্স খাদিজা বেগম চাকরির শুরু থেকেই তালা হাসপাতালে চাকরির সুবাদে তারা তালা হাসপাতালে রামরাজাত্ত্ব কায়েম করেছে বলে সাধারন মানুষের অভিযোগ। স্থানীয়দের দাপটে ভালো ভালো ডাক্তার নার্সদের মধ্যে চলছে আসা যাওয়ার পালা। যার দৃষ্টান্ত ডাক্তার রাজীব সরদার। ফলে চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে তালার প্রায় সাড়ে ৪ লাখ মানুষ।
স্থানীয় তালাবাসী জানান, ডাক্তার খালিদ হাসান নয়নের মা সিনিয়র স্টাফ নার্স খাদিজা চাকরির শুরু থেকেই আজ প্রায় ৩০ বছর তালা হাসপাতালে চাকরি করতে দেখা যাচ্ছে। সরকারি ভাবে মনে হয় তার কোন বদলির সুযোগ নেই বলে আমাদের মনে হয়। আর ছেলে মেডিকেল অফিসার থেকে শুরু করে বতর্মান আরএমও এর পর টিএইচএ হবে। এই স্থানীয়দের দাপটে বাহির থেকে আসা ডাক্তার এবং নার্সরা এখানে টিকতে পারে না। এই ধারাবাহিকতার কারনে ভালো ভালো ডাক্তার নার্সদের মধ্যে চলছে আসা যাওয়ার পালা। ফলে চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে তালার পৌনে ৪ লাখ মানুষ।
ডাক্তার খালিদ হাসান নয়ন তালা হাসপাতালে যোগদানের পর থেকে শুরু হয় এক নরকীয় দুর্নীতি। একদিকে টিকিট বিক্রয়ে মুল্য ছাড়া অধিক দামে টিকিট বিক্রি, হাসপাতালের এসি চুরি, বাথরুমের বেসিন ভাঙ্গা, বর্হিবিভাগে ঔষধ বিতরণে অনিয়ম, স্থানীয় স্টাফদের দিয়ে সিন্ডিকেট তৈরি করে হাসপাতালকে জিম্মি করে রাখাসহ নানাবিধ দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে এই ডাক্তার নয়নের বিরুদ্ধে। যার তদন্ত করলে বেরিয়ে আসবে থলের বিড়াল। ডাক্তার নয়নের এহেনও দুর্নীতির সুষ্ট্য তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সুনির্দিষ্ট দপ্তরের উদ্বর্তন কর্মকর্তাদের প্রতি তালাবাসী জোর দাবি জানান।
নাম প্রকাশে অনইচ্ছুক এক ব্যক্তি জানান, ডাক্তার নয়ন ইতোপূর্বে তার বিবাহিত স্ত্রীকে বাদ দিয়ে হাসপাতালের এক নারী ডাক্তারের সাথে পরকীয়া সম্পর্কে লিপ্ত হয় যা জনমনে তুমুল সমালোচনার ঝড় ওঠে। গত কিছু দিন আগে হাসপাতালের সরকারি এ্যামবুলেন্স তার ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহারের সত্যতা মিললে তাকে তালা হাসপাতাল থেকে অন্যত্র বদলি করা হয়। কিন্তু এখন শুনছি তিনি আবার তালা হাসপাতালে আছেন। তাহলে হাসপাতালটা কি তার বাবার পৌত্রিক সম্পদ। যিনি হাসপাতালটাকে স্মাশান বানিয়ে রেখেছে তার একটা বিহিত হওয়া দরকার বলে আমি মনে করি।
এব্যপারে ডাক্তার খালিদ হাসান নয়নের মুঠো ফোনে বার বার ফোন দিয়ে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তিনি ফোন রিসিভ না করার তার মতামত নেওয়া সম্ভব হয়নি।







