স্টাফ রিপোর্টার : জাতীয় রবীন্দ্রসঙ্গীত সম্মিলন পরিষদের সাতক্ষীরা শাখার নিয়মিত সভা ও আসন্ন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার দুপুরে সাতক্ষীরা শহরের কামালনগরে সংগঠনের অস্থায়ী কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের আহ্বায়ক শরীফুল্রাহ কায়সার সুমন এবং সঞ্চালনা করেন কবি গুলশান আরা।
সভায় সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার, সদস্য বৃদ্ধি, সাংস্কৃতিক চর্চা বিস্তারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। পাশাপাশি আসন্ন রবীন্দ্রজয়ন্তী উদযাপনকে ঘিরে বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা ও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
আলোচনা পর্বে সভার সভাপতি শরীফুল্রাহ কায়সার সুমন বলেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চেতনা ধারণ করে একটি মানসম্মত ও সৃজনশীল আয়োজন উপহার দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এ বছরের রবীন্দ্রজয়ন্তী আরও সুন্দর ও অর্থবহ হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
নয়ন কুমার ভট্টাচার্য বলেন, রবীন্দ্রসংগীতের চর্চা শুধু সাংস্কৃতিক অনুশীলন নয়, এটি আমাদের মনন ও মানবিকতার বিকাশ ঘটায়। আগামী প্রজন্মের মাঝে রবীন্দ্রচর্চা ছড়িয়ে দিতে সম্মিলিত উদ্যোগ জরুরী।
সাংবাদিক আমিনা বিলকিস ময়না বলেন, রবীন্দ্রনাথের দর্শন ও সৃষ্টিকে সমাজের সবস্তরে পৌঁছে দিতে গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। একটি সুশৃঙ্খল ও আকর্ষণীয় আয়োজনের মাধ্যমে বৃহত্তর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।
অধ্যাপক শেখ হেদায়েতুল ইসলাম বলেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্য ও সংগীত আমাদের জাতীয় চেতনায় গভীরভাবে প্রোথিত। তাঁর আদর্শ ধারণ করে অনুষ্ঠান আয়োজন করলে তা হবে আরও অর্থবহ।
সঞ্চালক কবি গুলশান আরা বলেন, রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টির সৌন্দর্য নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে আমাদের আরও আন্তরিক ও সৃজনশীল উদ্যোগ নিতে হবে।
আজিজুর রহমান বলেন, সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে নিয়মিত সাংস্কৃতিক চর্চা ও প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই। রবীন্দ্রজয়ন্তী হতে পারে নতুন সদস্যদের সম্পৃক্ত করার বড় সুযোগ।
প্রতাপ কুমার বলেন, অনুষ্ঠানকে বর্ণাঢ্য করতে সম্মিলিত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। স্থানীয় শিল্পী ও নবীনদের সুযোগ দিলে আয়োজন আরও প্রাণবন্ত হবে।
তুষার মিত্র বলেন, সুষ্ঠু পরিকল্পনা ও দায়িত্ব বণ্টনের মাধ্যমে সফল অনুষ্ঠান আয়োজন সম্ভব। সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।
এছাড়া সভায় বক্তব্য দেন মিঠুন দেবনাথ, রায়হান পারভেজ, মমতাজ বেগম, সাবরিনা ইয়াসমিন প্রমা, চন্দন চৌধুরী, তপু মন্ডলসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা।
সভায় উপস্থিত সকলের সিদ্ধান্তে আসন্ন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মজয়ন্তী উদযাপন কমিটি ঘোষণা করা হয়। যার আহবায়ক নির্বাচিত হন কবি গুলশান আরা ও সদস্য সচিব হন নয়ন কুমার ভট্টাচার্য। রবীন্দ্রজয়ন্তী সফলভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে বিভিন্ন উপকমিটি গঠন ও দায়িত্ব বণ্টন করা হয়।







