স্টাফ রিপোর্টার : সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে নিম্ন বেতনভুক্ত সরকারি কর্মচারীর কোটি টাকার সম্পদের সন্ধান মিলেছে “দুদক খুলনা বিভাগে অভিযোগ দাখিল, ফৌজদারি মামলা দায়েরে জোরালো আবেদন।
খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলা পল্লী উন্নয়ন অফিসের সহকারী পল্লী উন্নয়নে(চলতি) কর্মকর্তা (ই-৪০৮২) মোস্তাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে। দুর্নীতির মাধ্যমে অস্বাভাবিক সম্পদ অর্জনের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ে লিখিত আবেদনে চাকরি থেকে অব্যাহতি প্রদানসহ ফৌজদারি মামলা দায়েরের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
আবেদনে জানাগেছে, এই মোস্তাফিজুর রহমান, পিতা আবু জাফর সাপুই, দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ শ্রীপুর গ্রামের বাসিন্দা। একজন নিম্ন বেতনভুক্ত সরকারি কর্মচারী হয়েও তিনি কোটি টাকার স্থাবর- অস্থাবর সম্পদের মালিক হয়েছেন। অনুসন্ধানে প্রাপ্ত, জমি ক্রয়: গত ২৪ আগস্ট ২০২৫ তারিখে কালিগঞ্জ সাব- রেজিস্ট্রি অফিসে ৪২৮৮/২৫ নং দলিলে ৬লাখ ২০ হাজার টাকার জমি ক্রয় করেন।
এর আগে ২৯ জুলাই ২০২৫ তারিখে ৩৭৫৬/২৫ নং দলিলে ২০লাখ টাকার জমি ক্রয় করেন। বৈধ আয়ের সঙ্গে এ ধরনের ক্রয় একেবারেই অসঙ্গত।বিলাসবহুল বাড়ি: মোস্তাফিজুর রহমান প্রায় ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি আধুনিক বাড়ি নির্মাণ করেছেন। সঞ্চয়পত্রে কোটি টাকা: অভিযোগে বলা হয়, তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা সাতক্ষীরা প্রতিরক্ষা সঞ্চয় ব্যুরোতে প্রায় ৪০লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র ক্রয় করেছেন। এর আগের দুর্নীতি প্রকাশ: ২০২৪ সালের ১৪ নভেম্বর দৈনিক সময় পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল, আশাশুনি উপজেলায় চাকরি করার সময়ে তিনি প্রায় ৬০লাখ টাকার সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করেছিলেন।
এ সংক্রান্ত বিভিন্ন অনলাইন পোর্টালের প্রতিবেদন ও আবেদনে উল্লেখ করা হয়।অভিযোগকারীরা দাবি করেন, আশাশুনি উপজেলায় দায়িত্ব পালনকালে বহুল বিতর্কিত মোস্তাফিজুর রহমান বিপুল সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করেন এবং মন্ত্রণালয়ের তদন্তে তার দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া যায়। সম্প্রতি তিনি নিজের ব্যাংক হিসাব থেকে কোটি টাকা অন্যত্র সরিয়ে নিয়েছেন বলে জানা গেছে। একজন নিম্ন বেতনভুক্ত সরকারি কর্মচারী কীভাবে কোটি কোটি টাকার সম্পদের মালিক হলেন তা তদন্ত সাপেক্ষে উদঘাটন করা জরুরি।
সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করে দুর্নীতির পাহাড় গড়ে তোলা এ কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দিয়ে তার বিরুদ্ধে কালিগঞ্জ থানায় ফৌজদারি মামলা দায়েরসহ চার্জশিট দাখিল করা প্রয়োজন।” স্থানীয় সচেতন মহল বলছেন, দুদক যদি যথাযথ তদন্ত করে, তবে মোস্তাফিজুর রহমানের দুর্নীতির চাঞ্চল্যকর তথ্য উদঘাটিত হবে।
এটি শুধু কালিগঞ্জ নয়, বরং সারা দেশের সরকারি সেবাখাতে দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির পথ প্রশস্ত করবে। আরডিও জনাব, মোস্তাফিজুর রহমানের সাথে এ প্রতিনিধির কথা হলে তিনি জানান, এসব আমার বিরুদ্ধে নিছক ষড়যন্ত্র, অপ প্রচার ও হিংসামুলক বলে আমি মনে করি।







