খন্দকার আনিসুর রহমান : জন্মের পর থেকেই মাথায় পানি জমার সমস্যায় ভুগছে ১১ মাস বয়সী শিশু ইব্রাহিম হোসেন। শিশুটিকে সুস্থ করে তুলতে জন্মের পর থেকে এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতালে ছুটছেন তার বাবা-মা। নিজেদের শেষ সম্বলটুকুও ব্যয় করেছেন সন্তানের চিকিৎসায়। বর্তমানে শিশুটি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
ইব্রাহিম হোসেন সাতক্ষীরা পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের রইচপুর দক্ষিণপাড়া এলাকার আজমির হোসেন ও মোছা. সানজিদা দম্পতির সন্তান।
পরিবারের সদস্যরা জানান, জন্মের পর থেকেই ইব্রাহিমের মাথা অস্বাভাবিকভাবে বড় এবং মাথায় পানি জমার মতো সমস্যা দেখা দেয়। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তার মাথার আকারও স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বড় হয়েছে। শিশুটি প্রায় সারাক্ষণ কান্নাকাটি করে এবং খাওয়ার প্রবণতাও কম।
পরিবারের দাবি, বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা করানো হলেও এখন পর্যন্ত আশানুরূপ ফল পাওয়া যায়নি। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন । তবে চিকিৎসা ও অস্ত্রোপচারের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ জোগাড় করা দরিদ্র পরিবারের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না।
ইব্রাহিমের বাবা আজমির হোসেন জানান, সন্তানের চিকিৎসার জন্য তারা সাধ্যমতো চেষ্টা করেছেন। ইতোমধ্যে নিজেদের সামর্থ্যের প্রায় সবটুকুই ব্যয় করেছেন। এখন চিকিৎসার পরবর্তী খরচ বহন করা তাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে।
শিশুটির পরিবার সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও মানবিক মানুষের কাছে সহযোগিতার আবেদন জানিয়েছে। তাদের প্রত্যাশা, সম্মিলিত সহযোগিতায় ইব্রাহিমের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সম্পন্ন করে তাকে সুস্থ জীবনে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে।
শিশু ইব্রাহিমের চিকিৎসার সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন সাতক্ষীরা শিল্প ও বণিক সমিতির সভাপতি রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নাসিম ফারুক খান মিঠু।
সাতক্ষীরা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক মহসিন আলম জানান, অসুস্থ শিশুটি আমার এলাকার। জন্মগত রোগে আক্রান্ত শিশু ইব্রাহিমকে স্বাভাবিক জীবনে ফেরাতে অপারেশন প্রয়োজন। কিন্তু পরিবারের সক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। সমাজের বিত্তবান ও মানবিক মানুষ সহযোগিতার হাত বাড়ালে সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারবে ইব্রাহিম এটাই আমাদের প্রত্যাশা। সকলের সহযোগিতা চাই।
ইব্রাহিমের চিকিৎসায় সহযোগিতা করতে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের ( 01595-686191, নগদ ও বিকাশ) আহ্বান জানিয়েছে তার স্বজনরা।








