বিশেষ প্রতিনিধি : সরকারের দেওয়া এই চারাগুলো শুধু গাছ নয়, আমাদের পরিবারের ভবিষ্যতের সম্পদ। যত্ন করে লাগাব, বড় করব। এতে যেমন ফল পাব, তেমনি পরিবেশও রক্ষা হবে। কথাগুলো বলছিলেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলার রামচন্দ্রপুর গ্রামের কৃষক নুর ইসলাম। তাঁর মতো আরও ৮১৯ জন কৃষকের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে বিভিন্ন প্রজাতির ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা।
২০২৫-২৬ অর্থবছরের কৃষি প্রণোদনার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় সাতক্ষীরা সদর উপজেলা কৃষি অফিসের উদ্যোগে উপজেলা মিলনায়তনে ৮২০ জন কৃষকের মাঝে ৪১০০টি গাছের চারা, খুঁটি ও জৈব সার বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়। উদ্বোধন করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. বদরুদ্দোজা এবং সভাপতিত্ব করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. আবু সাঈদ শুভ্র।
উদ্বোধক মো. বদরুদ্দোজা বলেন, একটি গাছ একটি পরিবারের নিরাপত্তা, সুস্থতা ও পরিবেশের প্রতীক। বর্ষা মৌসুমের এই উদ্যোগ সফল করতে সবাইকে চারা রোপণ ও পরিচর্যায় আন্তরিক হতে হবে।
অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য) কৃষিবিদ ইকবাল আহমেদ বলেন, বৃক্ষরোপণ কৃষিকে সমৃদ্ধ করার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করে। অতিরিক্ত উপপরিচালক (পিপি) কৃষিবিদ মো. জামাল উদ্দিন বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রতিটি পরিবারের আঙিনায় অন্তত কয়েকটি গাছ থাকা প্রয়োজন।
সভাপতি কৃষিবিদ মো. আবু সাঈদ শুভ্র বলেন, এই কর্মসূচি কৃষকের আয় বৃদ্ধি, পুষ্টি নিরাপত্তা এবং সবুজ সাতক্ষীরা গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
কৃষাণী রোকেয়া খাতুন বলেন, চারাগুলো বড় হলে পরিবার যেমন উপকৃত হবে, তেমনি প্রকৃতিও সবুজ হবে।
উপজেলার অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা প্লাবনী সরকার বলেন, বর্ষা গাছ লাগানোর সবচেয়ে উপযুক্ত সময়। এ সময়ে রোপণ করা চারা দ্রুত বেড়ে ওঠে এবং টিকে থাকার হারও বেশি।
কৃষাণী প্রশান্ত সরকার বলেন, প্রতিটি গাছই জলবায়ু সংকট মোকাবিলার একটি কার্যকর হাতিয়ার।







