কালিগঞ্জ প্রতিনিধি : কালিগঞ্জে সাজিদা’র দাফনের চব্বিশ ঘন্টা না হতেই বাবা’র মৃত্যু। স্বজনদের আহাজারিতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ঘটনাটি কালিগঞ্জ উপজেলার কৃৃষ্ণনগর ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামে ঘটেছে।
সরেজমিন সুত্রে জানাগেছে, গত ৮মে-২৬ তারিখে রাত আনুঃ ৯টার দিকে কুশুলিয়ার চন্ডিতলায় স্বামী মনিরুল ইসলামের বাড়িতেই মৃত্যু হয় দুই সন্তানের জননী সাজিদা খাতুন (৩২) এর। এঘটনায় থানায় হত্যা মামলা দায়ের করে সাজিদার ভাই আব্দুল খালেক।
থানা পুলিশ হত্যা মামলা নিতে গড়িমসি করায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয় পিতা কেরামত আলী মোল্লাসহ স্বজনদের মাঝে। এরই মধ্যে মেয়ের মৃত্যু সইতে না পেরে সন্ধ্যায় নিজ বাড়িতে স্ট্রোক করে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে কেরামত মোল্লা।
সেই থেকেই স্বজন আর এলাকাবাসীর আহাজারিতে যেনো আকাশ বাতাস ভারী হয়ে উঠে।
সাজিদার বড় ভাই আব্দুল মালেক, ছোট ভাই আব্দুল খালেক, বোন সাবিনা খাতুন ও প্রতিবেশি রবিউল ইসলাম জানান, মেয়ের শোকে এবং মেয়ের রেখে যাওয়া দুই শিশু সন্তানের চিন্তায় স্ট্রোক করে কেরামত মোল্লার মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুর পূর্বে তিনি মেয়ে হত্যার বিচার চেয়ে আহাজারি করতে থাকে। থানকর ওসি’র আচারণ নিয়ে নজনজন প্রশ্ন তোলেন তিনি।
এদিকে মৃত্যুর খবর ঘটনাস্থলে আসেন উপজেলা জামায়াতের সহ সেক্রেটারি অধ্যাপক মোশারাফ হোসেন চৌধুরী, ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি মাষ্টার ইব্রাহীম বাহারী, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আল মাহমুদ ছট্টুসহ বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ। তাদের দাবী সাজিদা হত্যার বিচার যেনো হয়। উল্লেখ্য যে, ময়না তদন্ত শেষে গতকাল শনিবার দিনগত রাত সাড়ে ১০টায় রঘুনাথপর পিত্রালয়ে দাফন সম্পন্ন হয় হতভাগ্য সাজিদা’র।







