নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা জেলায় অতিবর্ষণ ও জলাবদ্ধতার কারণে ৩৮টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান বন্ধ রয়েছে। একই সাথে অতিবৃষ্টিতে জেলার ৬ হাজার হেক্টর জমির আউশ ধান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ভেসে গেছে অন্তত ১২৭টি মাছের ঘের। এতে প্রাথমিকভাবে প্রায় অর্ধকোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। তবে জেলায় এই মুহূর্তে বড় কোনো বন্যার আশঙ্কা নেই এবং যেকোনো দুর্যোগ মোকাবিলায় জেলা প্রশাসন সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
রোববার (১২ জুলাই) সকালে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভা ও পরবর্তীতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় এসব তথ্য জানানো হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক মিজ কাউসার আজিজ।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি জেলার সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সভায় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ও কঠোর সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ, উপকূলীয় অঞ্চলের ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধ সংস্কার, লাইসেন্সবিহীন অবৈধ ক্লিনিক বন্ধে অভিযান, শহরের যানজট নিরসনে বাস টার্মিনাল স্থানান্তর ও নির্দিষ্ট বাস স্টপেজ চিহ্নিতকরণ এবং মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার করা।
অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রিপন বিশ্বাসের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন—পুলিশ সুপার আবু সালেহ মো. আশরাফুল আলম, সিভিল সার্জন ডা. আব্দুস সালাম, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রহমতুল্লাহ পলাশ, জেলা জামায়াতের আমীর শহীদুল ইসলাম মুকুল, সাতক্ষীরা পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান, জেলা ট্রাক মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাসুম বিল্লাহ শাহীন এবং সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল কাসেম প্রমুখ।
সভায় বক্তারা জেলার জনভোগান্তি লাঘবে এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলা প্রশাসনের গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহ দ্রুত বাস্তবায়নের ওপর জোর দেন







