নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলার শ্বেতপুর গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন।তিনি চিকিৎসা সেবায় অসামান্য অবদান রেখে চলেছেন। তিনি একজন গুণী ও মানবিক ডাক্তার হয়ে মানুষের মনের মনিকোঠায় ঠাঁই করে নিয়েছেন। অত্যন্ত সাদা মনের, অল্প ও সুমিষ্ট ভাষী গরীবের ডাক্তার হয়ে আলোকিত করেছেন সাতক্ষীরা। তিনি মনে করেন টাকার অভাবে দেশের একজন অসুস্থ মানুষও যেন চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত না হয়।তার এখন অব্দি তিনি দশ হাজার প্রতিবন্ধী সম্পুর্ন ফ্রি চিকিৎসা সেবা ওষুধসহ দিয়ে যাচ্ছেন।

‎তিনি প্রথমে ফ্রী নেই ৩০০ টাকা তারপর দুইশ টাকা। ৭০ বছরের উর্ধ্বে কারো কাছ থেকে ফি নেন না। হতদরিদ্র দের কাছ থেকে ফি নেই না। অনেক প্রতিবন্ধী সম্পূর্ণ বিকলাঙ্গ চেম্বারে আনা সম্ভব নয় তাদের ক্ষেত্রে প্রতি রবিবার প্রতিবন্ধীদের বাড়ি বাড়ি যাই। চেম্বার টাইম সকাল নয়টা থেকে দুপুরে একটা, বিকেল পাঁচটা থেকে সাত টা।

‎এলাকার তরুণ এবং যুবক ছেলেদের খেলাধুলায় উদ্বুদ্ধ করুন এর জন্য প্রতিবছর ফুটবল টুর্নামেন্ট এবং ক্রিকেট টুর্নামেন্ট প্রায় ১৮-২০ বছর যাবত চালু রেখেছে ওখানে মোটা অংকের খরচটাও তিনি বহন করেন। মহান এই গুণী মানুষটা দেশ মাটি ও মানুষের সেবায় নিরলস ভাবে কাজ করছেন। তিনি ছাত্র জীবনে সাংবাদিকতার সাথে যুক্ত থেকেও মানুষের জন্য কাজ প্রশংসা কুড়িয়েছে। আমাদের মতো দেশের জন্য তার খুব দরকার আশাশুনি ও বুধহাটা প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন।

‎বিধবা,গরীব,বয়স্ক এতিম ও এলাকার গরীব মেধাবী শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দেন। হঠাৎ রোড এক্সিডেন্টে আক্রান্তদেরও সম্পুর্ন বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবার এছাড়া জন্ম প্রতিবন্ধী শিশুদের নিজ দ্বায়িত্বে বাড়িতে গিয়ে চিকিৎসা সেবা দেন। জরুরি রোগীর জন্য এম্বুলেন্সে ফ্রি অক্সিজেন দিয়ে আসছেন।

‎তিনি ২০০২ সাল থেকে ঢাকায় চিকিৎসক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। ২০০৫ সাল থেকে গণস্বাস্থ্য সেবা ও পুনর্বাসন কেন্দ্রের ঢাকা, মেডিকেল অফিসার ছিলাম সাত বছর।

‎২০১৩ সাল থেকে প্রতি ইংরেজি মাসের প্রথম এক সপ্তাহ করে বাড়িতে রোগী দেখতাম। এরপর মা অসুস্থ হওয়ার পরে চাকরি ছেড়ে দিয়ে বাড়িতে থাকি আর ইংরেজি মাসের শেষ পাঁচ দিন ঢাকা চেম্বারে রোগী দেখেন।

‎১৯৯৮-৯৯ সালে ঢাকা সিটিং সার্ভিস বাসের পিছনের নিচের অংশে “একটি ভুল সারা জীবনের কান্না” এই লেখাটি এক হাজারের মতো বাসের পেছনে নিজ হাতে রং তুলির আঁচড়ে লিখে দিয়েছিলেন। যে বাস গুলি গাবতলী সায়দাবাদ ডেমরা গুলিস্তান মতিঝিল ফার্মগেট চলাচল করে।

‎এখনো ক্লাস টু থেকে ক্লাস টেন পর্যন্ত প্রথম দ্বিতীয় এবং তৃতীয় স্থান অধিকারীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা করে আসছেন প্রায় কুড়ি বছর যাবত। মানব সেবার মহান ব্রত নিয়ে তিনি মানুষের মনের মনিকোঠায় ঠাঁই করে প্রশংসায় ভাসছেন।
##

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *