আব্দুর রহমান : সাতক্ষীরার শ্যমনগর উপজেলার ১৯১টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২৩ হাজার ৯০৯ জন শিক্ষার্থীকে পুষ্টিকর খাবার (টিফিন) সরবরাহ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সরকারের ‘স্কুল ফিডিং কর্মসূচি’ বা ‘মিড ডে মিল’ প্রকল্পের আওতায় শিক্ষার্থীদের পুষ্টিকর বনরুটি, কলা বা মৌসুমি ফল, সেদ্ধ ডিম, ফর্টিফাইড বিস্কুট এবং ইউএইচটি দুধ দেওয়া হবে।
রবিবার (২৯ মার্চ) শ্যামনগর হায়বাতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামসুজ্জামান কনক। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান সুশীলনের নির্বাহী প্রধান মোস্তফা নুরুজ্জামান। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জিয়াউর রহমান ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. এনামুল হক। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন হায়বাতপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান লাভলু, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় উন্নয়নকর্মী।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামসুজ্জামান কনক বলেন, “দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের শিশুরা ক্ষুধা ও অপুষ্টির কারণে বিদ্যালয়ে অনিয়মিত হয়ে পড়ে বা এক পর্যায়ে পড়াশোনা থেকে ঝরে যায়। এই প্রবণতা বন্ধের পাশাপাশি শিশুদের সুস্থতা নিশ্চিত করতে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির সহায়তায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফিডিং কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এতে শিক্ষার্থীদের মেধাবিকাশ এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন নিশ্চিত হবে।”
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রুহুল আমীন বলেন, এ প্রকল্পের আওতায় শ্যামনগর উপজেলার ১৯১টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২৩ হাজার ৯০৯ জন শিক্ষার্থীকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। টিফিন বিতরণ কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বাড়াবে, পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ তৈরি করবে এবং ঝরে পড়া কমাতে সহায়ক হবে। পর্যায়ক্রমে দেশের অন্যান্য সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়েও এ কর্মসূচি চালু করা হবে।







