নিজস্ব প্রতিনিধি : দেশে জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৃক্ষরোপনের উপর গুরুত্ব দিয়েছেন। ঠিক সেই মুহূর্তে সাতক্ষীরার তালা উপজেলার ধানদিয়া ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের ঝড়গাছা-পানপাড়া গ্রামের নিমাই কৃষ্ণ ঘোষের ছেলে প্রণব ঘোষ, সন্ন্যাসী কুমার ঘোষ ও সুমন ঘোষের পৈতৃক সম্পত্তিতে লাগানো ১৫ বছরের দুইটি বড় বড় শীলকড়া গাছ কেটে ফেলেছে একই এলাকার সুধীর ঘোষের ছেলে স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টু ঘোষ ও রবীন ঘোষসহ তাদের সন্ত্রাসী বাহিনী।

শুক্রবার (০৯ অক্টোবর) অনুমান দুপুর ১২ টার দিকে ইলেকট্রিক করাত দিয়ে জোরপূর্বক গাছ কেটে দিয়েছে। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী নিমাই কৃষ্ণ ঘোষের ছেলে প্রণব ঘোষ, সন্ন্যাসী কুমার ঘোষ ও সুমন ঘোষ জানান, আমাদেরকে না জানিয়ে পৈতৃক সম্পত্তিতে লাগানো দুইটি বড় বড় শীলকড়া গাছ কেটে সুধীর ঘোষের ছেলে প্রভাবশালী পিন্টু ঘোষ তার সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে এই দুইটি গাছ কেটে ফেলে। কেটে ফেলা গাছ দুইটির আনুমানিক মূল্য প্রায় ২ লক্ষ টাকা। এছাড়াও গাছ কেটে ফেলার সময় একই স্থানে অসংখ্য বাঁশ ঝাড় ও ডাব্বল গাছসহ অনেক গাছ গাছালির ক্ষতি সাধন করেছে।

এ ব্যাপারে ভুক্তভোগীরা স্থানীয় চেয়ারম্যান মেম্বার সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কে বিষয়টি অবহিত করার পরও গাছ কাটা বন্ধ না হলে তারা ট্রিপল নাইনে ফোন দিয়েও কোন প্রতিকার পাইনি বলে জানান। এ বিষয়ে অভিযুক্তরা বলেন, আমাদের বাড়ির সীমানার পাশে বড় বড় গাছ থাকায় বাড়ি ও মানুষের ক্ষতি হবে ভেবে কেটে দিয়েছি। সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, বড় বড় দুইটি গাছ পড়ে আছে।

এ সময় এলাকাবাসীরা জানায়, পিন্টু ঘোষরা প্রভাবশালী হওয়ায় তারা ক্ষমতার দাপটে এই অসহায় পরিবারটির উপর জুলুম নির্যাতন করে তাদেরকে না জানিয়ে সন্ত্রাস সৃষ্টি করে জোরপূর্বক গাছ কেটে ফেলেছে। আমরা তাদের বিষয়ে মুখ খুললেই আমাদেরকেও বিপদে পড়তে হবে।

এ ব্যাপারে এলাকায় উভয় পক্ষের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে এবং এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসীর দাবি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারটি তদন্তপূর্বক জেলা পুলিশ সুপার সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *