নিজস্ব প্রতিনিধি: টানা বৃষ্টিতে সৃষ্ট চরম জলাবদ্ধতা থেকে ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নে শাল্যে ও বেড়াডাঙ্গা গ্রামের ৩০০ একর জমির পানি নিষ্কাশনের জন্য (বেতনা নদীর ঘোলের কান্দা) এবং জনজীবনে স্বস্তি ফেরাতে মাঠে নেমেছেন ০৯ নং ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী অধ্যাপক আব্দুল ওয়ারেছ।
তিনি নিজে উপস্থিত থেকে স্থানীয়দের সাথে নিয়ে পানি নিষ্কাশন কার্যক্রম শুরু করেন।কয়েক দিনের অবিরাম বর্ষণে ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নের শাল্যে এলাকার বিভিন্ন সড়ক, বাড়িঘর এবং ফসলি জমি তলিয়ে গিয়ে তীব্র জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়।
এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। এই পরিস্থিতিতে জলাবদ্ধতা দূর করতে সময়োপযোগী উদ্যোগ নেন অধ্যাপক আব্দুল ওয়ারেছ। বুধবার দুপুরে তিনি সরাসরি শাল্যে এলাকায় গিয়ে জলাবদ্ধ স্পটগুলো পরিদর্শন করেন এবং স্থানীয়দের সাথে নিয়ে পানি নিষ্কাশনের জন্য (ঘোলেরকান্দা) পাইপ বসানো সহ সমস্থ ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।
চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী অধ্যাপক আব্দুল ওয়ারেছ নিজে উপস্থিত থেকে এই কার্যক্রমে অংশ নেওয়ায় এলাকার সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অত্র কাজের সার্বিক তত্ত্বাবধানকারী ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান ও ১ নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য মো: নুরুল হুদা।
এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিপুল সংখ্যক স্থানীয় জনগণ কোদাল ও অন্যান্য সরঞ্জাম নিয়ে স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই পানি নিষ্কাশন কাজে হাত মেলান। উক্ত কার্যক্রমে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন—ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাও: শাহিনুর রহমান, সাবেক ইউপি সদস্য আবুল হোসেন ডবলু, মাষ্টার ফিরোজ হোসেন, শেখ আব্দুল ওহাব, বেলাল হোসেন রিপন, সাংবাদিক মো:জামাল উদ্দিন খান, মো: আইয়ুব আলি,জিয়াউর রহমান, আব্দুর রকিব,আব্দুল বারী, আশুতোষ মহালদার, নিতাই, প্রসেনজিৎ, সাকিব, তৌহিদুজ্জামান, সহ এলাকার সর্বস্তরের সাধারণ জনগণ। অধ্যাপক আব্দুল ওয়ারেছের এই মানবিক ও দায়িত্বশীল উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন শাল্যে ঋষি পাড়া ও বেড়াডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দারা।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, নির্বাচনকে সামনে রেখে শুধু কথা নয় বরং এই ধরনের জনকল্যাণমুখী ও সময়োপযোগী উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং দ্রুত জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমস্যা কাটিয়ে শাল্যে এলাকায় স্বাভাবিক জনজীবন ফিরে আসবে বলে সকলে আশাবাদী।







